প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় -রত্নদীপ – ৩য় খণ্ড

রত্নদীপ – প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় রত্নদীপ – ৩য় খণ্ড তৃতীয় খণ্ড ০১. দুই কথা খুস্রুপুরে রাখালের কর্মের শেষদিন ক্রমে উপস্থিত হইল। ভৃত্য ও পাঁচকের বেতনাদি শোধ করিয়া, বাজারের দেনা মিটাইয়া, জিনিসপত্র বাধিয়া বন্ধুবান্ধবের নিকট বিদায় গ্রহণ করিয়া রাখাল পশ্চিমের গাড়ীতে আরোহণ করিল। গাড়ীর কাছে দাঁড়াইয়া স্টেশনমাষ্টারবাবু ছল–ছল নেত্রে কহিলেন, বাড়ী যাবার সময় এই পথে যাবেন ত?… Continue reading প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় -রত্নদীপ – ৩য় খণ্ড

প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় -রত্নদীপ – ২য় খণ্ড

রত্নদীপ – প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় রত্নদীপ – ২য় খণ্ড দ্বিতীয় খণ্ড ০১. সোণার হরিণ চৈত্রমাসের প্রথম সপ্তাহ, কিন্তু ইতিমধ্যেই এবার বেশ গ্রীষ্ম পড়িয়া গিয়াছে। বেলা দশটার সময়, কলিকাতার উত্তরাংশের কোনও সদর রাস্তা দিয়া রেশমী ছাতা মাথায় এক যুবক ধীরে ধীরে চলিতেছিল। লোকটি অত্যন্ত সুপুরুষ–মুখে চক্ষে রূপ যেন ঝলমল করিতেছে। তাহার বেশবিন্যাসেও বাহারের ছড়াছড়ি। মস্তকে তরঙ্গায়িত কেশের… Continue reading প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় -রত্নদীপ – ২য় খণ্ড

প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় -রত্নদীপ – ১ম খণ্ড

রত্নদীপ – প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় রত্নদীপ – ১ম খণ্ড রত্নদীপ – প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় প্রথম খণ্ড ০১. রাখাল বাড়ী যাইতেছে রাখাল ভট্টাচাৰ্য্য খুস্রুপুর ষ্টেশনের ছোটবাবু–বাড়ী বর্ধমান জেলার ময়নামতী গ্রামে। বয়স অনুমান ত্রিংশৎবর্ষ, শ্যামবর্ণ সুশ্রী যুবাপুরুষ। প্রবেশিকা পরীক্ষায় ফেল করিয়া রেলে ঢুকিয়াছিল, পাঁচ ছয় বৎসর চাকরি করিতেছে। বেতন মাত্র পঁচিশটি টাকা। তবে মাঝে মাঝে টাকাটা সিকিটা উপরি যে… Continue reading প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় -রত্নদীপ – ১ম খণ্ড

কিশোর রহস্য রোমাঞ্চ গল্পসমগ্র ১ – আলী ইমাম – তেঁতুলঝোরার ঝাউবাংলো

কিশোর রহস্য রোমাঞ্চ গল্পসমগ্র ১ – আলী ইমাম ০১. তেঁতুলঝোরার ঝাউবাংলো ০১. তেঁতুলঝোরার ঝাউবাংলো বৈশাখের এই লাল রোদের দুপুরগুলো কেমন তেতে থাকে। বাতাস যেন আগুনের হল্কা ছড়ায়। গাছের পাতা থির হয়ে আছে। চারদিক ঝলসাচ্ছে। কেমন ফোসকা পড়া গরম। সাঁ সাঁ করে লোক বোঝাই বাস ছুটে যাচ্ছে । পিকু হাঁটতে হাঁটতে ভাবে, আহ্, এখন যদি ঝমঝম করে… Continue reading কিশোর রহস্য রোমাঞ্চ গল্পসমগ্র ১ – আলী ইমাম – তেঁতুলঝোরার ঝাউবাংলো

ঊর্মিমালা -মনিকা শকুন্তলা

ঊর্মিমালা -মনিকা শকুন্তলা   ঊর্মিমালা তুমি ঠিক সাগরের সফেদ বুদবুদ ফোঁটা ঢেউ আমার এই স্হবির জীবনটাকে কখনো বুঝতে চায়নি কেউ নিতে চায়নি স্নেহের ডোরে আবেশে আমি সত্যি বড় কৃতজ্ঞ এবং বড় বেশি আহ্লাদিত আজ তোমার কাছে মনে পড়ে বারবার সেদিনের কথা, হঠাৎ রেল দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আমার পা হারানো আমি অসার শরীরে শুয়ে আছি হসপিটালের… Continue reading ঊর্মিমালা -মনিকা শকুন্তলা

ভ্রান্তিবিলাস – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

ভ্রান্তিবিলাস – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ভ্রান্তিবিলাস – ১ প্রথম পরিচ্ছেদ। হেমকূট ও জয়স্থল নামে দুই প্রসিদ্ধ প্রাচীন রাজ্য ছিল। দুই রাজ্যের পরস্পর ঘোরতর বিরোধ উপস্থিত হওয়াতে, জয়স্থলে এই নৃশংস নিয়ম বিধিবদ্ধ হয়, হেমকূটের কোনও প্রজা, বাণিজ্য বা অন্যবিধ কার্য্যের অনুরোধে, জয়স্থলের অধিকারে প্রবেশ করিলে তাহার গুরুতর অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড প্রদানে অসমর্থ হইলে প্রাণদণ্ড, হইবেক। হেমকূটরাজ্যেও, জয়স্থলবাসী লোকদিগের… Continue reading ভ্রান্তিবিলাস – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

শকুন্তলা – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

শকুন্তলা – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শকুন্তলা – ১ প্রথম পরিচ্ছেদ অতি পূর্ব্বকালে, ভারতবর্ষে দুষ্মন্ত নামে সম্রাট্ ছিলেন। তিনি, একদা, বহু সৈন্য সামন্ত সমভিব্যাহারে, মৃগয়ায় গিয়াছিলেন। এক দিন, মৃগের অনুসন্ধানে বনমধ্যে ভ্রমণ করিতে করিতে, এক হরিণশিশুকে লক্ষ্য করিয়া, রাজা শরাসনে শরসন্ধান করিলেন। হরিণশিশু, তদীয় অভিসন্ধি বুঝিতে পারিয়া, প্রাণভয়ে দ্রুত বেগে পলাইতে আরম্ভ করিল। রাজা, রথারোহণে ছিলেন, সারথিকে… Continue reading শকুন্তলা – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

এই পতাকার জন্য -মনিকা শকুন্তলা

এই পতাকার জন্য মনিকা শকুন্তলা এই লাল সবুজে আঁকা পতাকার জন্য নয়টি মাস প্রতীক্ষা ছিল অনন্য। শুধু এই পতাকার জন্য কতো শহিদ জীবন দিয়েছে হয়েছে অগ্রগণ্য। এই লাল সবুজের জন্য আজ জীবন মোদের ধন্য গর্বিত জাতি গর্বিত হলো মাতৃভাষার জন্য। এই পতাকা তোমার জন্য এই পতাকা আমার জন্য মোরা শিহরিত আজ পুলকিত এই বাংলার মাটি… Continue reading এই পতাকার জন্য -মনিকা শকুন্তলা

গান- সুতপা ভট্টাচার্য

গান সুতপা ভট্টাচার্য। কেউ বলেনি কেউ ডাকেনি কেউ শোনেনি গান তবুও হৃদয় গেয়েই গেলো ভালোবাসার গান। কেউ শুনেছে কেউ দেখেছে কেউ বেঁধেছে তান, তবুও তারা দেখলোনাকো বুঝলো নাকো মান। রাত্রি এলো জোছনা ঘেরা হাজার তারার আলো, জ্বললো না আর হৃদয় বাতি, বৃথায় আঁধার কালো। কেউ বলেনি কেউ ডাকেনি কেউ শোনেনি গান, তবুও হৃদয় গেয়েই গেলো… Continue reading গান- সুতপা ভট্টাচার্য

কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুক্ষুধা – ১২

মৃত্যুক্ষুধা – কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুক্ষুধা – ১২ মৃত্যুক্ষুধা – ১২ একদিকে মৃত্যু, একদিকে ক্ষুধা। সেজোবউ আর তার ছেলেকে বাঁচাতে পারা গেল না। ওর শুশ্রূষা যেটুকু করেছিল সে শুধু ওই মেজোবউ আর ওষুধ দিয়েছিল মেম সায়েব – রোমান ক্যাথলিক মিশনারি। মেজোবউ সেজোর রোগ-শিয়রে সারারাত জেগে বসে থাকে। কেরোসিনের ডিবে ধোঁয়া উদগিরণ করে ক্লান্ত হয়ে নিবে যায়।… Continue reading কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুক্ষুধা – ১২