হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২৩

ফরিদা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, আমার দম ফুরিয়ে গেছে। আমি একটু দম। নিয়ে নেই। আমি চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকব। আপনি কিন্তু চলে যাবেন  আমি চলে যাব না। | ফরিদা চোখ বন্ধ করল । এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ঘুমিয়ে পড়ল। আমি বসে। আছি তার পাশে। তাকিয়ে আছি একটি ঘুমন্ত মেয়ের মুখের দিকে। দেখেই মনে হচ্ছে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২২

কোন বিষয়ে বুঝাতে হবে ?  চিকিৎসার জন্যে আমি তাকে দেশের বাইরে নিয়ে যেতে চাই। সে যাবে না। হিমুভাই প্লিজ, আপনি তাকে রাজি করিয়ে দিন। যদি আপনি এটা করে দিতে পারেন তাহলে বাকি জীবন আমি আপনার মতাে হলুদ পাঞ্জাবি পরে কাটাব। পায়ে জুতা-স্যান্ডেল কিছুই থাকবে না। প্লিজ প্লিজ।   ফরিদা আমাদের কথা শুনছে কিন্তু তার মুখের… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২২

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২১

ঠিক আছে তাই করছি । তুমি খালু সাহেবের ব্যাপারে কী করলে?  ভিসা নিয়ে কী যেন ঝামেলা হচ্ছে। ভিসা পেলেই চলে যাবে। জবান এখনাে বন্ধ ? হ্যা। মহিলা পীরের চিকিৎসাটা করাবে না ? মহিলা পীরের কোন চিকিৎসা ?   বলেছিলাম না তােমাকে প্রচণ্ড আধ্যাত্মিক ক্ষমতা সঞ্চয় করা পীরনি। সবাই যাকে মামা ডাকে। উনার পায়ে পড়লেই…।  ভুলে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২১

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২০

খালি পেটে ঘুমের ওষুধ খেলেও বমি হয়। হালকা স্ন্যাকস জাতীয় কিছু খেয়ে নেবেন। সব ট্যাবলেট খাওয়ার পর গরম কফি খেতে পারেন। এতে Action ভালাে হয়।   Get out! | আমি ইমরুলকে নিয়ে ‘গেট আউট হয়ে গেলাম। হাবিবুর রহমান সাহেব ঘুমের ওষুধ খাবেন কি-না বুঝতে পারছি না। সম্ভাবনা যে একেবারে নেই তা  ফিফটি ফিফটি চান্স। মজার ব্যাপার… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২০

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৯

আপনি থ মেরে গেছেন। সেখান থেকে অনুমান করছি। দুয়ে দুয়ে চার মিলাচ্ছি।  হাবিবুর রহমান বললেন, কুত্তাটার সাহস দেখে অবাক হয়েছি। বাসায় চলে এসেছে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্যে। স্যুট টাই মচমচা জুতা। সেন্ট মেখেছে। গা দিয়ে ভুরভুর করে গন্ধ বের হচ্ছিল। পাছায় লাথি দিয়ে বের করে দিতে চেয়েছিলাম।   দিলেন না কেন? এখন তাই চিন্তা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৯

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৮

আমি রাগী গলায় বললাম, যাবে না মানে কী ? ইমরুল বলল, আমি আসমা’র সঙ্গে থাকব।  আমি ম্যাডামের দিকে তাকিয়ে বললাম, ফাজিল ছেলের কাণ্ড দেখেছেন। চড় দিয়ে দু’তিনটা দাঁত তাে এক্ষুণি ফেলে দেয়া দরকার । আপনাকে নাম ধরে ডাকছে। কষে একটা চড় দিন তাে। দাঁত নরম আছে। কষে চড় দিলে দাঁত পড়ে যাবার কথা।   ম্যাডাম… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৮

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৭

আমি কোনাে জবাব দেবার আগেই ইমরুল খিলখিল করে হেসে উঠল। আসমা বিস্মিত হয়ে বলল, এই ছেলেটা হাসছে কেন ?  আমি বললাম, আপনি ইমরুলকেই জিজ্ঞেস করুন কেন হাসছে। সে কেন হাসছে এটা তাে তারই জানার কথা।  আসমা ইমরুলের দিকে তাকিয়ে বললেন, এই ছেলে, তুমি হঠাৎ হেসে উঠলে কেন ?  ইমরুল স্পষ্ট করে বলল, তুমি শুধু হাসির… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৭

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৬

আপনি খুবই আপত্তিকর কথা বলছেন তা কি জানেন ? জি-না। জানি না। আপনি আমাকে নিয়ে রসিকতা করার চেষ্টা করছেন। দয়া করে এই কাজটা করবেন না। মনে থাকবে?  ভদ্রমহিলা খট করে টেলিফোন রেখে দিলেন। আমাকে শেষবারের মতাে ইয়েস ম্যাডাম’ বলার সুযােগ দিলেন না।   ইমরুলের সাজসজ্জা আজ চমৎকার।  টকটকে লাল শার্ট। শার্টের চারটা বােতামের মধ্যে একটা বােম… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৫

খালু সাহেব এবার লাল কালি দিয়ে বড় বড় করে লিখলেন—  SHUT UP আমি ঘর থেকে বের হয়ে এলাম। আর থাকা ঠিক হবে না। খালু সাহেব যে-কোনাে মুহূর্তে ডাস্টার ছুড়ে মারতে পারেন। ডাস্টারটা তিনি একবার ডান  হাত থেকে বাম হাতে নিচ্ছেন, আবার বাঁ হাত থেকে ডান হাতে নিচ্ছেন। লক্ষণ সুবিধার না।  নাশতার টেবিলে বালা নাশতা দিয়েছেন। গােশত,… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৪

 এগারােটা বাজে, এখনাে নাশতা খাস নি ? আলসার-ফালসার বাধিয়ে একটা কাণ্ড না হওয়া পর্যন্ত ভালাে লাগে না? কী খাবি ?  গােশত পরােটা। ডাবল ডিমের ওমলেট, সবজি। সবশেষে সিজনাল ফ্রটস।   মাজেদা খালা ভয়ঙ্কর মুখ করে বললেন— তুই ভেবেছিস কী ? আমার বাড়িটা ফাইভ স্টার হােটেল ? গড়গড় করে মেন্যু দিয়ে দিলি— টেবিলে নাশতা। চলে এলাে। … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৪