সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -৬

‘আপনি গিয়েছিলেন? ‘খ। আমার জানার ইচ্ছে ছিল গতরাতের সেই মেয়েটিই কিনা। যদি সে না। , ৩ হলে আমার কিছু করার নেই। তাে গিয়ে দেখি, সে-ই। মুখটা মনে ছিল। তুমি তাে জানাে, মানুষের মুখ সম্পর্কে আমার নিজস্ব কিছু তত্ত্ব আছে। চন্দ্রি আর মুখে বিপন্নতা লেখা ছিল। কিন্তু সেটা এতদুর গড়াবে ভাবতে পারিনি।   ৩ ফ্যাটের চাবি… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -৬

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -৫

 এ যাবৎ কখনও রাস্তাঘাটে সে বা রাতে কোনও একলা মেয়েকে গাড়িতে লিফ্ট দেওয়ার সৌভাগ্য বা রাগ্য হয়নি, যদিও গল্পে এসব অনেক পড়েছি। সৌভাগ্য মানে, গল্পে এসব ক্ষেত্রে লেমের সুযােগ এসে যায়। দুর্ভাগ্য মানে, অনেক সময় নাকি লিষ্ট দিতে গিয়ে সংগতিক ব্ল্যাকমেলের পাল্লায় পড়তে হয়। | কিন্তু মেয়েটিকে কর্নেল কলগার্ল বলে সনাক্ত করেছেন, এমন কি বাড়িটাও  … Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -৫

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -৪

অমরেন্দ্র বললেন, ‘যােগেনের হাতের লেখা নয়, এটুকু আমি বুঝতে পেরেছি। আপনিই সেবার যােগেনের হাতের লেখা সনাক্ত করেছিলেন।  কর্নেল সায় দিলেন। বললাম, “দেখতে পারি ? কর্নেল কাগজটা আমাকে দিলেন। লাল ডটপেনে লেখা আছে ।   CHAICHICHINGFANK বার কতক পড়ার পর বললাম, “দেখুন, আমার মনে হচ্ছে এতে লেখা আছে চাই চিচিং ফাঁক”।  কর্নেল হাসলেন। হুঁ, ঠিক ধরেছ।… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -৪

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -৩

কর্নেল কোনও মন্তব্য করলেন না। লক্ষ্য করলাম, আবার চোখ বুজে হেলান দিয়েছেন। দাঁতে কামড়ানাে জ্বলন্ত চুরুট।  কিছুক্ষণ পরে এলিয়ট রােডে কর্নেলের সানি ভিলার প্রাঙ্গণে ঢুকে গাড়ি পাের্টিকোর তলায় দাঁড় করালাম। আমার আর সিঁড়ি ভেঙে তিনতলায় ওঠার ইচ্ছে ছিল না। কিন্তু কর্নেল আমাকে যেতে দিলেন না। অগত্যা গাড়ি পার্ক করে রেখে   ওঁর সঙ্গ ধরতে হলাে। … Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -৩

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২

‘এক্সকিউজ মি।। চমকে উঠে বাঁদিকে তাকালাম। আমাদের গাড়ি থিয়েটার রােডে পৌছে একটা রাস্তার মােড়ে ঈষৎ জ্যামের দরুন থেমে গিয়েছিল। বৃষ্টিটা বেড়ে গেছে। ঝিরঝিরে বৃষ্টি। এক সিক্তবসনা যুবতী কর্নেলের কাছে ঝুঁকে কথাটি উচ্চারণ করেছিল। কর্নেল চোখ খুলে সােজা হয়ে বসে বললেন, ‘বলুন কী করতে পারি আপনার জন্য।   ‘একটাও ট্যাক্সি পাচ্ছি না। ভিজে যাচ্ছি কিন্তু সেজন্যও… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -১

কর্নেল নীলাদ্রি সরকারের সঙ্গে অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের মঞ্চে গ্রুপ থিয়েটারের একটা নাটক দেখতে গিয়েছিলাম। নাটকের নাম ‘পুরগাছা। পরগাছার প্রতি আমার খেয়ালি প্রকৃতিবিদ বন্ধুর আসক্তিকে প্রায় পাগলামি বলা চলে। এই বৃদ্ধ বয়সেও বিরল প্রজাতির পরগাছার খোঁজে দুর্গম বনজঙ্গল পাহাড়ে হন্যে হয়ে ঘােরা ওঁর স্বভাব। কিন্তু এক্ষেত্রে ওঁর সেই প্রিয় উদ্ভিদটি তাে নিছক একটি নাটকের নাম!… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -১

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এর নিঝুম রাতের আতঙ্ক শেষ খন্ড

গত বর্ষায় হল কী, এক সন্ধেবেলা উরুলিঝুরুলি বৃষ্টি পড়ছে। শূলপাণি উদাস হয়ে বসে আছেন ঘরে। নদীর ধারে যাওয়া হল না। গদাধরের সঙ্গে কথাবার্তা হল না। মন খারাপ। এমন সময় হঠাৎ শূলপাণির কানে এল কুঁই কুঁই শব্দ। বাড়ির পিছন থেকে   শব্দটা আসছে। ওদিকটায় একসময় আস্তাবল ছিল। এখন ভাঙ্গাচোরা দশা তাে ছাতি মাথায় শূলপাণি সেখানে গিয়ে… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এর নিঝুম রাতের আতঙ্ক শেষ খন্ড

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এর নিঝুম রাতের আতঙ্ক খন্ড-২০

অথচ কিছুদিন আগেও কী ভাব ছিল গদাধর–শূলপাণির। নদীর দুপাড়ে দুজনে দাড়িয়ে এইসব কথাবার্তা হয়।  -এই যে! শূলপাণি মুচকি হেসে বলতেন। -এই যে! গদাধরও ফিকফিক হেসে বলতেন।   হু, হু…খুব যে ইয়ে। অা? শূলপাণি চোখ নাচিয়ে বলতাে।  এবার গদাধর একটু বাঁকা চোখে তাকিয়ে বলতেন—তা যাই বলো, তােমার ওই ইয়েটা কেমন যেন একটু ইয়ে।  এ শূলপাণি গতিক… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এর নিঝুম রাতের আতঙ্ক খন্ড-২০

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এর নিঝুম রাতের আতঙ্ক খন্ড-১৯

এবার মেজকাকা সন্দেহাকলে চোখে গাছটা দেখতে দেখতে বললেন—গাছে হনুমান আছে নাকি রে বিল ?  বললম–না মেজকাক। কাল একটা কাঠবেড়ালি দেখেছে।  হঠাৎ গাছতলায় উল্টে পড়ে থাকা হকোটার দিকে চোখ গেল মেজকাকার। হুকোটা তুলে নিয়ে অবাক হয়ে বললেন—এ কার হকো রে বিল ?  আমি তাে জানিনে মেজকাকু।  মেজকাকা ধমক দিয়ে বললেন—জানাে না? এখনও কলকের আগুন রয়েছে। কে… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এর নিঝুম রাতের আতঙ্ক খন্ড-১৯

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এর নিঝুম রাতের আতঙ্ক খন্ড-১৮

‘তেপান্তরের মধ্যিখানে  মস্তো একটা বিল আছে কলমিদামে শালুক পানায়  কত যে ফুল ফুটতাছে শামুক বুড়ো চিংড়ীবুড়ি   বড় সুখে রােদ পােহায় যে যাবি ভাই আয় রে সাথে  শনশনিয়ে আয় রে আয় | গানটা কেমন ঘুমঘুম সুরে ভরা। শুনতে-শুনতে হাই ওঠে। দুলুনি চাপে। শীতের লম্বা রাতে বেজায় লম্বা ঘুমের পর এই মিঠে রােদের সক্কালবেলা আবার ঘুমিয়ে পড়াটা বিপজ্জনক। মেজকাকা।… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এর নিঝুম রাতের আতঙ্ক খন্ড-১৮