হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-৬

বােঝা যাচ্ছে সে তার বাবার ভয়ে চুপ করেছিল।  দুপুরবেলা দেলােয়ার নদীতে নেমে চশমা উদ্ধার করে। মেয়েটাকে চশমাটা দেয়ার পর সে চশমা রেখে পরতে পরতে বলে—আচ্ছা ঠিক আছে। যেন সে জানতই দেলােয়ার চশমা নিয়ে আসবে। চশমার জন্যে ধন্যবাদটা এই মেয়ে এখন দিচ্ছে। দেলােয়ার ভাই।’  “চশমাটা নদীতে পড়ে গেল। সারাদিন চশমা ছাড়া ঘুরছি অথচ কেউ বুঝতেই পারছে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-৫

“জ্বি আচ্ছা।  ‘শীতের মধ্যে পাতলা একটা শার্ট গায়ে দিয়ে ঘুরছ কেন? শীত লাগে না ? তোমার গরম কাপড় আছে?” এ দেলােয়ার লােকটাকে বলবে সে যেন হুটহাট করে আমার ঘরে না ঢোকে। সন্ধ্যাবেলা ঘুমুচ্ছি, হুট করে ঘরে ঢুকে পড়ল । গ্রামের ছেলে তো। এই ব্যাপারগুলি জানে না।  তুমি কৈফিয়ত দিচ্ছ কেন মা। তুমি তাকে বলে দেবে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-৪

দেলােয়ার লােকটাকে মীরার পছন্দ হয়েছে। খুব হাসিখুশি । শুধু একটা সমস্যা যখন-তখন হুট করে ঘরে ঢুকে পড়ে। মেয়েদের ঘরে যে যখন-তখন। ঢোকা যায় না এই ব্যাপারটা বােধহয় জানে না। তাকে জানিয়ে দিতে হবে। কিছুক্ষণ আগে দেলােয়ার ঘরে ঢুকেছিল। মীরা খুব সাবধানে চোখ ফাক করে তাকিয়ে রইল। যাতে দেলােয়ার ধরে নেয় সে হচ্ছে। ঘুমন্ত মেয়ের ঘরে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-৪

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-৩

 আজহার সাহেব বললেন, অনেকক্ষণ থাকবরে মা। সাধ মিটিয়ে নৌকা। ভ্রমণ। তাের ভালাে লাগছে না ? শেফা শুকনাে গলায় বলল, ভালাে লাগছে। “তােরা শহরবাসী হয়ে গাছপালা ভুলে গেছিস। বল্ দেখি ঐটা কী গাছ?’  জানি না বাবা। ‘মীরা তুই বলতে পারবি ?  বই যে পড়ছিস সেতাে দেখতেই পাচ্ছি। গল্পের বই ? IELT না, জোকস-এর একটা বই। “এত… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২

দেলােয়ার গাধাটা দেখছে আমার ব্যালান্সে সমস্যা হচ্ছে তার পরেও হাত ধরে হ্যাচকা টান দিচ্ছে। মানুষ এমন গাধাও শেফার মােটেই একসাইটিং লাগছে না। বাবাকে খুশি করার জন্যে বলল, দারুণ লাগছে বাবা।  মীরা কিছু বলল না। মনােয়ারা মেয়ের পাশে বসতে বসতে বললেন, চা খাবি ? ক্লাঙ্কে চা নিয়ে এসেছি।  চেষ্টা আজহার সাহেবের চোখের আড়ালে থাকা। সেটা মােটেই… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-১

নৌকায় উঠার মুখে ছােট্ট দুর্ঘটনা ঘটল, শেফার চোখ থেকে চশমা খুলে পানিতে পড়ে গেল। শেয়ার মাইয়োশিয়া, চশমা ছাড়া প্রায় কিছুই লেখে না। সে একবার ভাবল, মা আমার চশমা বলে বিকট চিৎকার দিয়ে সবার নিলে চমকে দেবে। সে তা করল না, যেন কিছুই হয়নি এমন ভঙ্গিতে নৌকায় উঠে এল। চশমা গানিতে পড়ে যাবার ব্যাপারটা এখন এটিকে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-১

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া শেষ খন্ড

জাহেদ বলল, দিন। আপনাদের বংশে পাগলের হিস্ট্রি আছে? ‘জ্বি না।” ‘আজকাল অবশ্যি হিস্ট্রি ফিস্ট্রি লাগে না। এম্নিতেই লােকজন পাগল হয়ে যাচ্ছে। খোজ নিলে দেখবেন ডিসপেনসারিগুলিতে নার্ভ ঠাণ্ডা রাখার অষুধ সবচে বেশি বিক্রি হয়। ঘুমের অষুধ ছাড়া কেউ ঘুমুতে পারে না।   সন্ধ্যাবেলা জাহেদ তার মামাকে মেন্টাল হােমে ভর্তি করিয়ে দিয়ে এল। তিন হাজার টাকা অগ্রীম জমা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া শেষ খন্ড

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৬

জাহেদ মহাবিপদে পড়েছে। মিজান সাহেব দেশের বাড়িতে পৌঁছে ঘােষণা দিয়েছেন – এখানেই থাকবেন – আর শহরে ফিরবেন না। গ্রামে থাকার ব্যবস্থা নেই বললেই হয়। টিনের ঘর দু’টির ভগ্নদশা। ভিটের ভেতর মানুষ সমান ঘাস গজিয়েছে। বাড়ির দরজা জানালা লােকজনে খুলে নিয়েছে। খাট–চৌকি কিছুই নেই। মেঝেতে বিছানা করে ঘুমুতে হবে। মেঝেময় গর্ত। সাপের না ইদুরের, কে বলবে?… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৫

‘হঁ্যা। ‘শুয়ে আছিস যখন শুয়ে থাক। আমি পরে টেলিফোন করতে বলি। ‘না, আমি যাচ্ছি।  মেয়েটা কে ? ‘তুমি চিনবে না, মা। আমার বন্ধু ছিল সাবের – ওর বড় বােন।।  রেহানা বললেন, শুভ্র, আমার শােবার ঘরের টেলিফোন নাম্বার তুই সবাইকে দিয়ে বােড়াবি না। অপরিচিত কারাের টেলিফোন ধরতে আমার ভাল লাগে না। কাউকে যদি টেলিফোন দিতেই হয়… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৪

শুভ্র বলল, বাবা, তুমি কি চাও যে আমি নীতু মেয়েটিকে বিয়ে করি? ‘হ্যা, আমি চাই। তােমার পছন্দের কেউ যদি থাকতাে আমি বলতাম না। তােমার পছন্দের কেউ নেই। তােমাকে এ ব্যাপারে অনেক বার জিজ্ঞেস করা হয়েছে। তুমি প্রতিবারই না বলেছ।‘  শুভ্র বলল, আমি ভুল বলেছি, বাবা। আমার পছন্দের একজন আছে। ইয়াজউদ্দিন সাহেব হতভম্ভ হয়ে বললেন, তার… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৪