হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৬

বাবা চল যাই হাসপাতালে। ভর্তি করানাে যায় কি-না দেখি।  ঠিক আছি। আমি ঠিক আছি। বমি করার পর শরীরটা ফর্মে চলে এসেছে। তুই বাসায় চলে যা। বাসায় গিয়ে সাবান ডলে গরম পানি দিয়ে একটা গোসল দিবি । নয়তাে দেখা যাবে তােকেও ধরেছে। ভাইরাস মারাত্মক জিনিস, একবার ধরলে জান ‘বিলা করে দেয়। যূথীর মনে হয় আমার আনা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৫

 সঞ্চিত টাকা পয়সা একত্র করিয়া তােমার মায়ের নামে দুইটি এফডিআর করাইয়া দিয়াছিলাম। একটি এফডিআর চলতি মাসের ১১ তারিখে ম্যাচিউরড হইয়াছে। তােমার মাতা এই এফডিআর হইতে দশ লক্ষ টাকা পাইবেন । এই অর্থের কিছু আমাকে দিলে আমার উপকার হইত। তােমার মাতাকে যে এই বিষয়ে অনুরােধ করিব সেই সুযােগও পাইতেছি না। আল্লাহ পাকের উপর ভরসা। দেখি উনি… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৪

জি।  ফার্স্ট সেকেন্ড হওয়া ছেলেমেয়েদের সঙ্গে বাবা–মা’র ছবিও ছাপা হয়। এতে বাবা-মা’দের মনে আনন্দ হয়। তাদের আনন্দেরও তাে প্রয়ােজন আছে। আছে ? জি।  তােমার বাবার বিষয়ে উড়াউড়া কিছু খবর শুনি। সেটা সত্যি ? | জি সত্যি।  ভেরি স্যাড। পিতামাতা হলাে সন্তানের আদর্শ। সেই পিতামাতা যদি এরকম করে তাহলে সন্তান আর কী করবে? যাই হােক, মন খারাপ… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৪

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৩

উনার হাত-পা-মুখ সব শক্ত। নিঃশ্বাসও বন্ধ । জীবন্ত মানুষ থেকে হঠাৎ তিনি মূর্তি হয়ে যাচ্ছেন। নায়ক তার পেছনে দাঁড়ানাে মাত্রই তিনি আড়চোখে তাকাবেন । তাকিয়ে শরীরে ছােট্ট ঝাঁকি দেবেন।শেষপর্যন্ত টেক ওকে হলাে। তবে পরিচালকের মন মতাে হলাে না। তিনি তাঁর অ্যাসিসটেন্টকে বললেন, এই গাধীকে আবার যদি কল দিয়ে আনাে, তােমাকে আমি কানে ধরে উঠবােস ক্লাব।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৮

‘ওর সঙ্গে অনেকদিন দেখা হয় না । পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, ভাবলাম দেখা করে যাই।’ ‘রাত ক’টা বাজে জান?’ ‘জিও না’। ‘ওয়ান ফর্টি । রাত একটা চল্লিশে কেউ কারোর বাড়িতে অকারণে আসে আমার জানা ছিল না।’ ‘অকারণে আসিনি স্যার-অনেকদিন দেখা হয় না । ও ভাল আছে তো?’ ‘হ্যাঁ ভাল আছে । তোমার নাম কি যেন বললে?… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৮

হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৭

‘দেখি এক সিঙ্গেল বেলের শরবত’।                                                  ‘ডবল খান । ডবল শইলের জন্যে ভাল।’                                       … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৭

হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৬

তবে সমস্যা কি জানিস-আমি একটা কোন কথা বললেই তো মন্ত্রী শুনবে না। তিনি যেন মন দিয়ে আমার কথা শুনেন সেই ব্যবস্থা করতে হবে । আরেক কাপ চা খাবি?’ রফিক জবাব দিল না । মাথা নিচু করে বসে রইল । সে মনে হল আরো সুন্দর হয়েছে । বসে আছে কেমন হতাশ ভঙ্গিতে । বড় মায়া লাগছে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১২

কখন সই করেছি মনে নাই। তবে সাদা কাগজে সই করেছি। ঐ বদ নানান সময়ে কাগজপত্রে আমার সই নিয়েছে। এই বাড়ি তাে আমার নামে, বাড়ির ট্যাক্স দিতে হবে, হেনতেন বলে সই করিয়েছে।  আপা, আপনি কোনাে চিন্তা করবেন না। এই হিসাবও আমার আছে । আমি বিনা হিসাবে কাজ করি না। একজন সাধারণ মানুষ ঘুঘু দেখলে ফাঁদ দেখে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১২

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-১১

আমার মার নাম আফিয়া বেগম। এমন কোনাে বড় নাম না, তারপরেও এই নামটা ছােট করে বাবা ডাকতেন আফি। ই-কারের টান যখন দীর্ঘ হতাে তখন বােঝা যেত বাবার মেজাজ শরিফ। এখানেই শেষ না, নাম নিয়ে বাবার দু’টা ছড়াও ছিল । যেমন—  আফি আফি করতে হবে মাফি  আফি আফি  You are কাফি প্রথম ছড়াটা বাবা বেশি বলতেন।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-১১

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-১০

একশ’ টাকার নােট দিয়ে এক প্যাকেট বেনসন সিগারেট আনতে তাকে পাঠালে সে সিগারেট আনবে। সঙ্গে দু’টা দেয়াশলাই আনবে, শুধু বাকি টাকাটা ফেরত দেবে না। এমন ভাব করবে যেন এক প্যাকেট বেনসন সিগারেট এবং দুটা দেয়াশলাইয়ের দাম কাঁটায় কাঁটায় একশ’ টাকা। বাবলু! জি জহির ভাই। আজকের কাগজে বিনােদন পাতা ছাপা হয়েছে । সেটা পড়েছিস?  নীলার ছবি… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-১০