‘উনার এক ভাগ্নি আছে। ডাক নাম শাপলা – মেয়েটা খুব সুন্দর, টিভিতে গান গায়। বি গ্রেডের শিল্পী। নাটকও করে। ও লেভেল পাস করে ইউনিভার্সিটিতে ঢুকেছে। পালিটিক্যাল সায়েন্সে পড়ে। থার্ড ইয়ার। গায়ের রঙ শুভ্রের মত না হলেও ফর্সা। তুমি কি মেয়েটাকে দেখবে? ‘আমি দেখব কেন?” | ‘তােমার পছন্দ হলে শুভ্রের জন্যে আমি মেয়ের মামা জাভেদ… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৪
Author: Admin
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩
আধঘণ্টা পর বিছানায় যেতে হয়। তিনি আধঘণ্টা পার করার জন্যে অপেক্ষা। করছেন। তার ঘুম এসে গেছে। চোখের পাতা ভারী হয়ে এসেছে। কয়েকবার হাই উঠেছে। তিনি দেখলেন রেহানা ট্রেতে করে চা নিয়ে শুভ্রের ঘরে ঢুকছে। ইয়াজউদ্দিন সাহেবের ভ্রু কুঞ্চিত হল। দুপুর রাতে সে ছেলেকে চা বানিয়ে খাওয়াচ্ছে কেন? অন্ধ ভালবাসার ফল কখনাে মঙ্গলময় হয় না।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২
‘রেহানা। ‘শুভ্র–র ঘরে বাতি জ্বলছে কেন? ওকি জেগে আছে?” ‘হঁ্যা, জেগে আছে। ‘এত রাত পর্যন্ত তাে জেগে থাকার কথা না। আমার মনে হয় সে বাতি জ্বালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। তুমি একটু দেখে এসাে তো।” | রেহানা উঠে চলে গেলেন। খালিগায়ে বারান্দায় বসে থাকায় তাঁর একটু শীত শীত লাগছে। বুকের চাপ ব্যথা একটু কমেছে বলে মনে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১
রেহানা গ্লাসভর্তি তেতুলের সরবত নিয়ে যাচ্ছিলেন, শুভ্র’র ঘরের কাছে এসে থমকে দাঁড়ালেন। চাপা হাসির শব্দ আসছে। শুভ্র হাসছে। রাত একটা বাজে। শুভ্রের ঘরের বাতি নেভানাে। সে অন্ধকারে হাসছে কেন? মানুষ কখনাে অন্ধকারে হাসে না। কাঁদতে হয় অন্ধকারে, হাসতে হয় আলােয়। রেহানা ডাকলেন, শুভ্র ! শুভ্র হাসি থামিয়ে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল, কি মা? ‘কি করছিস?”… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১
শহীদ কাদরী এর জীবনী ও সাহিত্যকর্ম
তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার গুরুত্বপূর্ণ কবি ও লেখক। জীবনযাপন ও কবিতাকে তিনি এক সূত্রে গ্রথিত করেছিলেন। মানুষ হিসেবে এবং কবিতায় ছিলেন চৌকস কিন্তু বাউন্ডলে, বুদ্ধিদীপ্ত কিন্তু খামখেয়ালি। তিনি পরবর্তীকালের বাঙালি কবিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য যিনি নাগরিক-জীবন সম্পর্কিত শব্দ চয়নের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় নাগরিকতা ও আধুনিকতাবোধের সূচনা করেছিলেন। তিনি আধুনিক নাগরিক জীবনের প্রাত্যহিক অভিব্যক্তির অভিজ্ঞতাকে কবিতায় রূপ… Continue reading শহীদ কাদরী এর জীবনী ও সাহিত্যকর্ম
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস শেষ খন্ড
প্রতি বর্ষায় দুতিনবার এই কাজটা করেন। তাঁর নাকি মজা লাগে। ছাদের ঠিক মাঝখানে এগারােটা ফুলের টব আছে। টবগুলির মালিক ফুপু । তার জন্ম এগারাে অক্টোবর বলে এগারাে তার লাকি সংখ্যা। এইজন্যে ফুলের টবের সংখ্যা এগারাে। ফুপু তাঁর টবগুলির কোনাে যত্ন নেন না। সব গাছই কিছুদিনের মধ্যে মরে যায়। তখন আবার কেনা হয়। ফুপু ঠিক করে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস শেষ খন্ড
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–২০
তুমি ড্রিংকসের সঙ্গে কখনাে খেয়েছ ? দু’একবার পাল্লায় পড়ে খেয়েছি। জিন এন্ড লাইম। এক ধরনের ককটেল । জিন সামান্যই থাকে। খেতে কেমন ? শরবতের মতাে একটু তিতা ভাব আছে। তাের কি খেতে ইচ্ছা করছে না। কি ? খবরদার! এইসব জিনিসের ধারে কাছে যাবি না। তুই গাধা আছিস গাধাই থাকবি। ঘােড়া হতে যাবি না । … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–২০
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৯
নীলা ফুপুর চোখ লাল। মুখ ফোলা। তিনি গত দুদিন ধরে ঘরে আছেন। ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। রাতে মনে হয় ঘুমাচ্ছেনও না। কাল রাত তিনটার সময়ও দেখেছি তার ঘরে বাতি জ্বলছে। অসুখ-বিসুখ নিশ্চয়ই না। অসুখ হলে চাদর গায়ে বিছানায় শুয়ে থাকতেন। মাথা টিপে দেবার জন্যে কিংবা মাথায় পানি ঢালার জন্যে আমার ডাক পড়ত। এখনাে ডাক… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৯
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৮
কোন ফল পাখিরা আনন্দ করে খায় ? মাকাল ফল। বড়ই সৌন্দর্য ফল, কিন্তু মানুষের জন্য বিষ। ছােটভাই, শুকনা আলাপ শুইন্যা লাভ নাই। লটকন খান। আপনার উছিলায় আমিও দুইটা খাব। আমার সাথে লবণ আছে। তিনটা লটকনের দানা মুখে দিবেন আর এক চিমটি লবণ । দেখেন স্বাদ কারে বলে । আমরা লটকন খাওয়া শুরু করলাম। আমাদের খাওয়া… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৮
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৭
তাের কাছে ভাঙুতি আছে? আছে । ক্যানের সেভেন আপ আনবি। সঙ্গে স্ট্র আনবি। আমি রিকশা থেকে নেমে গলির ভেতর ঢুকে হাঁটা দিলাম। মা থাকুন গরমের মধ্যে রিকশায় বসে। আমাকে ফেলে চলে যেতে পারবে না। ছেলে সেভেন আপ আনতে গিয়ে কোথায় গেল। তার কোনাে বিপদ হলাে কি-না। সবচে’ ভালাে হয় যদি আজ রাত বাসায় না ফিরি।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৭