চাঁদের আলোয় তারা বুঝে ফেলবে কোথায় ব্যাঙরা আছে। শেয়াল এসে এদের কপাকপ খাবে। এই ভয়ে ব্যাঙের দল চুপ করে ছিল। তােমার কি ধারণা আমার যুক্তি ঠিক আছে? পূষ্প কথা বলল না। তাকিয়ে রইল। তিনি বললেন, আমার যুক্তি ঠিক নেই? ‘মনে হয় ঠিক। ‘মােটেই ঠিক নেই। আমি তােমাকে ভুল যুক্তি দিয়েছি শিয়াল দেখে ব্যাঙরা ভয় পাবে কেন?… Continue reading নীল অপরাজিতা-পর্ব-(১০)-হুমায়ূন আহমেদ
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
কুঁজো আর ভূত – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
কানাই বলে একটি লোক ছিল, তার পিঠে ছিল ভয়ংকর একটা কুঁজ। বেচারা বড্ড ভালমানুষ ছিল, লোকের অসুখ-বিসুখে ওষুধপত্র দিয়ে তাদের কত উপকার করত। কিন্তু কুঁজো বলে তাকে কেউ ভালবাসত না।কানাইয়ের ঝুড়ির দোকান ছিল; আর কোনো ঝুড়িওয়ালা তার মত ঝুড়ি বুনতে পারত না। তারা তাকে ভারি হিংসা করত, আর তার নামে যা-তা বলে বেড়াত। তা শুনে… Continue reading কুঁজো আর ভূত – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৯)-হুমায়ূন আহমেদ
‘পছন্দ হবে না, কি বলিস তুই? নিজে যা ভাল মনে করেন তাই করেন। কাল রাতের কথা চিন্তা কর – অন্য কেউ হলে কি করত? শরীর যত খারাপই হােক দুমুঠ ভাত খেত। আমাদের খুশী করার জন্য করত। উনি তা করলেন না। কে খুশী হল কে হল না তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই। পুষ্প হাসতে হাসতে বলল, উনি… Continue reading নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৯)-হুমায়ূন আহমেদ
নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৮)-হুমায়ূন আহমেদ
বাতাসের সঙ্গে আলো কাপছে। সেই সঙ্গে কাপছে দেয়ালের ছায়া। মশা নেই বলেই বােধ হয় মশারি নেই। কতদিন পর তিনি মশারি ছাড়া ঘুমুচ্ছেন। নিজেকে কেমন যেন মুক্ত মানুষ বলে মনে হচ্ছে। অষ্টাঙ্গ সংগ্রহ তার হাতে। ঘুমুবার আগে আরাে কয়েকটা পাতা ওল্টানাে যাক। বইটিতে ঘুমুবার নিয়ম কানুনও দেয়া আছে। আটবার শ্বাস নিতে যেই সময় লাগে সেই সময়… Continue reading নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৮)-হুমায়ূন আহমেদ
নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৭)-হুমায়ূন আহমেদ
করিম সাহেব বললেন, স্যার আমার মেয়ে পুষ্প। আমার একটাই মেয়ে। ময়মনসিংহে থাকে। হােস্টেলে থেকে পড়ে। এইবার আই—এ দেবে। পরীক্ষার ছুটি দিয়েছে। ও ভেবেছিল হােস্টেলে থেকে পড়াশােনা করবে। আমি বললাম, মা চলে আয়। একা একা থাকি। সে চলে এসেছে। চলে আসায় খুবই ক্ষতি হয়েছে। ঘর সংসার সবই এখন তার দেখতে হয়। এখন ভাবছি হােস্টেলে দিয়ে আসব। … Continue reading নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৭)-হুমায়ূন আহমেদ
নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৬)-হুমায়ূন আহমেদ
পুষ্প বলল, বাবা এখন কি উনাকে খাবার দিয়ে আসবে? এগারােটা বাজতে পাঁচ মিনিট বাকি। খাবার গরম করব? মােফাজ্জল করিম বিছানায় শুয়ে ছিলেন।সারাদিনের ক্লান্তিতে তার তন্দ্রার মত এসে গিয়েছে। মেয়ের কথায় উঠে বসলেন। ‘খাবার গরম করব বাবা? ‘করে ফেল। “তােমার কি শরীর খারাপ করেছে? ‘মন খারাপ নাকি বাবা ?” করিম সাহেব বিস্মিত হয়ে বললেন, মন খারাপ… Continue reading নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৬)-হুমায়ূন আহমেদ
নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৫)-হুমায়ূন আহমেদ
আমার দাদাজান সেই আমলে লাখপতি হয়ে বাড়ি বানিয়েছিলেন, তারপর অপঘাতে মারা গেলেন। অবস্থা পড়ে গেল। এই বাড়িটা ছাড়া — এখন আমাদের আর কিছুই নাই। বাড়িটাও হয়েছে বাসের অযােগ্য। আমি নীচের তিনটা ঘরে থাকি। উপরটা তালাবন্ধ থাকে। আপনার জন্যে উপরের একটা ঘর ঠিক ঠাক করে রেখেছি। ‘বাড়ির চারদিকে কি এক সময় কদম গাছ ছিল? ‘জ্বি না। একটা কদম গাছ… Continue reading নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৫)-হুমায়ূন আহমেদ
নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৪)-হুমায়ূন আহমেদ
থাকার জায়গা আহামরি ধরনের হবে এ জাতীয় ধারণা শওকত সাহেবের ছিল না। অজ পাড়াগায়ে রাজপ্রাসাদ থাকার কোনই কারণ নেই। তবে বজলুর রহমান যিনি এই জায়গার খোজ তাঁকে দিয়েছেন, তিনি বার তিনেক উচ্ছ্বসিত গলায় বলেছেন, আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন। এত সুন্দর বাড়ি যে কল্পনাও করতে পারবেন না। শওকত সাহেব হাসতে হাসতে বললেন, তাজমহল ধরনের বাড়ি? ‘তাজমহলতাে… Continue reading নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৪)-হুমায়ূন আহমেদ
নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৩)-হুমায়ূন আহমেদ
খাবার সময়ও খুব যন্ত্রণা হল। করিম সাহেব প্লেটে ভাত তুলে দিচ্ছেন, তরকারী তুলে দিচ্ছেন। শওকত সাহেব বিরক্ত হয়ে বললেন, প্লীজ কিছু তুলে দেবেন না। যা দরকার আমি নিজে নেব। কেউ খাবার তুলে দিলে আমার খুব অস্বস্তি লাগে। ‘আপনিতাে স্যার কিছুই নিচ্ছেন না, মুরগীর বুকের গোশত একটু দিয়ে দেই। তিনি শুধু যে মুরগীর বুকের গােশত দিলেন তাই… Continue reading নীল অপরাজিতা-পর্ব-(৩)-হুমায়ূন আহমেদ
নীল অপরাজিতা-পর্ব-(২)-হুমায়ূন আহমেদ
‘স্যার কত দিন থাকবেন এখানে? “ঠিক করিনি। পনেরাে বিশ দিন থাকব। শুনলাম, নির্জনে একটা লেখা শেষ করার জন্য এসেছেন?” শওকত সাহেব দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললেন। নির্জনতার যে নমুনা শুরু হয়েছে খুব বেশী ভরসা করতে পারছেন না। স্যার পান খেলেন না ? ‘পন আমি খাই না। থ্যাংক ইউ। আমি বাইরে একটু দাড়াই। বাইরে দাঁড়ায়ে কি দেখবেন স্যার,… Continue reading নীল অপরাজিতা-পর্ব-(২)-হুমায়ূন আহমেদ