সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এর নিঝুম রাতের আতঙ্ক খন্ড-২

ভবভূতি অবাক হয়ে বলেছিলেন—বলাে কী! -হ্যা। মেকসিকো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূততত্ত্বে ডক্টরেট ডিগ্রি দেয়। আমাদের ভুতাে সেই ডিগ্রি পেয়ে এখন ভারতের নামকরা ঘােস্ট এক্সপার্ট অর্থাৎ ভূত–বিশেষজ্ঞ হয়েছে। গতবছর যখন রামচন্দ্রপুর ঘােস্ট প্রজেক্ট-থুড়ি, ভূতেদের অভয়ারণ্য চালু হল, তখন তার । উদ্বোধন করেছিলেন কে জানাে তাে? ভূত বিষয়ক দফতরের মন্ত্রী মিসেস এস সি হাড়মটমটিয়া। ভবভূতি আরও অবাক।–এমন সরকারি দফতরের… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এর নিঝুম রাতের আতঙ্ক খন্ড-২

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এর নিঝুম রাতের আতঙ্ক খন্ড-১

কোয়ার্টার পর্যন্ত এখানে তৈরি করা সম্ভব হয়নি। করেছে খানিকটা দুরে। ওরা এখন পালিয়ে সেই কোয়ার্টারে ঢুকবে। পরের ট্রেন আসার সময় হলে স্টেশনে আসবে। ফের পালাবে।   অবিশ্বাসী ভবভূতি বললেন–তাহলে এই স্টেশনঘরটা তৈরি হল কীভাবে শুনি?  সে অনেক হাঙ্গামা করে হয়েছিল। সায়েব ইঞ্জিনিয়াররা এসে বানিয়েছিল। ওরা খুব ডানপিটে ছিল বলেই পেরেছে। গজপতি পা বাড়িয়ে ফের বললেন—অর… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ এর নিঝুম রাতের আতঙ্ক খন্ড-১

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি শেষ খন্ড

খুব ভালো কথা। মেয়েকে ডেকে ‘রায় নিয়ে দাও। আর দেলােয়ারকে বল তাকে যেন রেলস্টেশনে নিয়ে ট্রেনে তুলে দেয়। সে কি এক বস্ত্রে যাবে, না একটা স্যুটকে সঙ্গে নিতে পারবে? | আজহার সাহেব একদৃষ্টিতে স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছেন। তার হাত কাপছে। মনে হচ্ছে তিনি চোখেও ঝাপসা দেখছেন মনােয়ারার মুখ কেমন যেন অস্পষ্ট লাগছে।   মনােয়ারা চোখ… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি শেষ খন্ড

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৮

যাও তােমার আপাকে আসতে বলো, একগ্লাস পানি আর একটা চামচ নিয়ে যেন আসে।’  দূর থেকে বের হয়ে এল। সে দাঁত দিয়ে সেই চেশে কানা মামলার চেষ্টা করছে। তাকে অনেকক্ষণ কান্না চেপে রাখতে হবে। আপাকে খবর দিতে হবে, তারপর নির্জন কোনাে জায়গায় গিয়ে কাপতে হবে। তার সব বন্ধৱাই খুব কান পেলে বাথরুমে দরজা বন্ধ করে কালে।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৮

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৭

এতবড় একটা মাছ দেখে একজন মানুষ কী করে বলে মদুটাতাে খারাপ না। দাদাজান কি আশা করেছিলেন সে ছিপ দি৷ তিমি মাছের সাইজের একটা কাতল মাছ ধরবে?   মাছের গায়ে হাত রেখে শেফা বসে আছে। আজহার সাহেব এই অবস্থায় মেয়ের ছবি তুললেন। এটা নিয়ে শোর মনে অশান্তি। বাবা একেবারেই ছবি উছ চিঠিন। ভালা হচ্ছে না। এতাে গুছিয়ে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৭

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৬

মীরা তার কালরাতের জন্যে যত প্রস্তুতিই নিক, কোনো এক ফাঁকফোকর দিয়ে কালনাগিনী ঢুকে পড়বে। নিয়তি এড়ানাে যাবে না। নিয়তি মেনে নিতে পারলে খুব ভালো হত। সব কয়লায়িত নিয়তির হাতে ছেড়ে নিশ্চিন্ত মনে ঘুরে বেড়ানো যেত | অশাকিল হচ্ছে নিয়তির হাতে মার নিজেকে হাওতে পারছে না। নিয়তি বেহুলার জন্যে সত্যি, তার জন্যে সত্যি না। গাড়ি প্রচণ্ড… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৫

 পানির অনেক নিচে এরা মাটির মাছ উপর শুয়ে থাকে। এদের একেকটার বয়স দুশ তিনশ বছর । এদের হা প্রকাণ্ড । শরীর লোহার মত শক্তন । এরা প্রচণ্ড রাগী। বেশিরভাগ সময় এরা ‘ঘুমিয়ে থাকে। যে তাদের ঘুম ভাঙায় তাকে তারা কিছুতেই মা করে না।   সুন্দি-ফিকির এ ৱে এরা তাকে পানিতে নিয়ে যায়। তার পর খুবলে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৪

– “আপনার কথাবার্তা শুনে আমি খুবই অবাক হচ্ছি—আসলে আমি কিছুই জানি না।  “কিছু না জানলে জানবে। জানার জন্যেই আসতে বলছি। এখন আমি তোমার সঙ্গে লাভক্ষতির একটা আলাপ করব । এই আলাপটা মন দিয়ে শোন। লাইনে ডিস্টার্ব হচ্ছে না তাে? পরিষ্কার শুনতে পাচ্ছ?   “আমার দু’টাই মেয়ে। আমাদের যা বিষয়সম্পত্তি আছে সবই এদের। বাংলাদেশের হিসেবে মীরার… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৪

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৩

“ক’ প্যাকেট কেছু?  ‘চার প্যাকেট। চার প্যাকেট কিনলে পাইকারি রেট দেয়।’ ভালাে করছ।’  চাচীজীকে তার খুবই ভয় লাগছে। চাচীজীর উপর জ্বিনের আছর হয়নি তাে। হবিব নামে যে জিনটা এ বাড়িতে থাকে সে বড়ই দুষ্ট।   মনােয়ারা বললেন, মোতালেবকে চা খাইয়েছ? দেলােয়ার জবাব দেবার আগেই মােতালেব বলল, জ্বি আম্মা ।  “মােতালেব শােন । আমার শরীরটা খুব… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২২

 লম্বা হেলেটা!”  ‘ই। সাবেরের খুব শখ মীরার গ্রামের বাড়ি দেখা। ওর শখ দেখে আমি কথায় কথায় বলে ফেলেছি আমরা গ্রামের বাড়িতে গেলে তােমাকে খবর দেব, চলে এসাে।’ | আজহার সাহেব বললেন, ক্লাসফ্রেন্ডদের সঙ্গে মেলামেশা একটা পর্যায় পর্যন্তই ভালাে। এর বেশি ভালো না। মীরার কি ইচ্ছা ছেলেটা আসুক?   ‘ওর ইচ্ছাও নেই অনিচ্ছাও নেই। আমি ভাবছিলাম… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২২