কখন সই করেছি মনে নাই। তবে সাদা কাগজে সই করেছি। ঐ বদ নানান সময়ে কাগজপত্রে আমার সই নিয়েছে। এই বাড়ি তাে আমার নামে, বাড়ির ট্যাক্স দিতে হবে, হেনতেন বলে সই করিয়েছে। আপা, আপনি কোনাে চিন্তা করবেন না। এই হিসাবও আমার আছে । আমি বিনা হিসাবে কাজ করি না। একজন সাধারণ মানুষ ঘুঘু দেখলে ফাঁদ দেখে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১২
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-১১
আমার মার নাম আফিয়া বেগম। এমন কোনাে বড় নাম না, তারপরেও এই নামটা ছােট করে বাবা ডাকতেন আফি। ই-কারের টান যখন দীর্ঘ হতাে তখন বােঝা যেত বাবার মেজাজ শরিফ। এখানেই শেষ না, নাম নিয়ে বাবার দু’টা ছড়াও ছিল । যেমন— আফি আফি করতে হবে মাফি আফি আফি You are কাফি প্রথম ছড়াটা বাবা বেশি বলতেন।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-১১
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-১০
একশ’ টাকার নােট দিয়ে এক প্যাকেট বেনসন সিগারেট আনতে তাকে পাঠালে সে সিগারেট আনবে। সঙ্গে দু’টা দেয়াশলাই আনবে, শুধু বাকি টাকাটা ফেরত দেবে না। এমন ভাব করবে যেন এক প্যাকেট বেনসন সিগারেট এবং দুটা দেয়াশলাইয়ের দাম কাঁটায় কাঁটায় একশ’ টাকা। বাবলু! জি জহির ভাই। আজকের কাগজে বিনােদন পাতা ছাপা হয়েছে । সেটা পড়েছিস? নীলার ছবি… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-১০
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৯
বাবলু! জি ভাইয়া। জহিরের ব্যাপারটা মাথা থেকে দূরে রাখবি। তাের স্বভাব হচ্ছে, তুই যার কাছেই যাস তার ছায়া হয়ে যাস। এটা ঠিক না। সবাইকে আলাদা আইডেনটিটি নিয়ে বড় হতে হবে । তুই ছায়া মানব না। You are not a shadow man. যা ঘুমুতে যা। আমি ঘুমুতে গেলাম। পাশের ঘরে বড়খালা জেগে আছেন। কোনাে হিন্দি মুভি… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৯
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৮
যূথী, তােমার কি অনেক খেলনা ? হু। আমার একশ’ কোটি খেলনা । কোন খেলনাটা তােমার সবচে’ প্রিয় ? আমার একটা তুলার হাতি আছে— সবচে’ প্রিয়। দেখি হাতিটা । কীভাবে দেখবে! হারিয়ে গেছে তাে। তুমি খেলনা দিয়ে খেলা ছাড়া আর কী কর ? আর কিছু করি না। কেন, টিভি দেখ না ? আমাদের টিভি নেই। বাবা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৮
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৭
তুমি কি পিস্তল কিনবে? জহির ভাই প্রশ্নের জবাব না দিয়ে সিগারেট ধরালেন। এখন তার চোখে মুখে বিরক্তি নেই। তাঁকে আনন্দিতই মনে হচ্ছে। বাবলু ! জি জহির ভাই। তাের এখানে রাতে ঘুমাই না কেন বল তাে? জানি না। অনুমান কর । ঘরটা ছােট, সিলিং ফ্যানে শব্দ হয়। শব্দে তুমি ঘুমাতে পার না।। হয় নি। তাের ওপরে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৭
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৬
আজিজুর রহমান খােকন সাহেব হতভম্ব হয়ে গেলেন। জহির ভাই আমার দিকে তাকিয়ে নির্বিকার গলায় বললেন, বাবলু উনার কাছ থেকে দুইটা মুরগি রেখে দে।খােকন সাহেব বিড়বিড় করে কী যেন বললেন। জহির ভাই হাই তুলতে তুলতে বললেন, দুটা দিতে না চাইলে একটা দেন। সাদা গলার মুরগিটা দেন। জোকারি কথাবার্তা বললেও জহির ভাই কিন্তু জোকার না। সিরিয়াস টাইপ মানুষ… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৬
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৫
আমি পাঁচশ’ টাকার নােট নিয়ে বাসায় চলে এলাম। একটু ভুল বললাম, বাসায় না, বাসার সামনেই ভিডিও’র দোকান দি ইমেজে’ চলে এলাম । জহির ভাই বেশির ভাগ সময় এই দোকানেই বসে থাকেন। দোকানের মালিক ফারুক ভাই উনার জানি দোস্ত। দোকানে একটা পার্টিশান আছে। পার্টিশানের ওপাশে বড় ডিভান পাতা আছে । জহির ভাই এই ডিভানে শুয়ে ঘুমান… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৫
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৪
মা না-কি কোনাে এক ধর্মের বইয়ে পড়েছেন। নীলা ফুপু বললেন, তােকে টাকা দিচ্ছি, তুই হােটেল থেকে গােশত পরােটা খেয়ে আয়। আমি বললাম, ইন রিটার্ন তােমার জন্যে কী করতে হবে সেটা বলাে। কিছুই করতে হবে না। দশ টাকায় তাের নাশতা হবে না ? হবে। বসে থাক, আমি খাওয়া শেষ করে তােকে টাকা এনে দিচ্ছি। নীলা ফুপু… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৪
হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৩
উনার রেডিয়েশন তাের উপর আসতে পারে। সব মানুষের রেডিয়েশন আছে, এটা জানিস ? সব মানুষের রেডিয়েশন আছে। কারােরটা ভালাে কারােরটা মন্দ। আমি একজন পীর সাহেবের কাছে যাই। উনার রেডিয়েশন মারাত্মক। ধাক’ টের পাওয়া যায়। তােমার পীর সাহেব আছে না-কি ? আছেন একজন। তবে আমি উনার মুরিদ না। এমি মাঝে-মধ্যে যাই। আমাকে স্নেহ করেন । তােকে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড-৩