তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা নাটকের শ্রেষ্ঠ রূপকার ছিলেন। তিনি হিন্দুসমাজের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে প্রহসন রচনা করেও খ্যাতি অর্জন করেন। সমাজের সাধারণ মানুষ সম্বন্ধে বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং তাদের প্রতি সহানুভূতিই তাঁর রচনার প্রধান প্রেরণা। চাকরিসূত্রে দেশ-বিদেশ ঘুরে বহুলোকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। সেই অভিজ্ঞতা তাঁর নাটকের চরিত্র সৃষ্টিতে তাঁকে বিশেষভাবে সাহায্য করে। বাংলার আধুনিক নাট্যধারার প্রবর্তক… Continue reading দীনবন্ধু মিত্র এর জীবনী ও সাহিত্যকর্ম
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৩
আমার মেয়েটা যে কত ভাল তা একমাত্র আমি জানি আর জানেন আল্লাহপাক । আপনার কাছে আমি হাতজোড় করছি।’বায়েজিদ সাহেব সত্যি সত্যি হাত জোড় করলেন । আমি বিব্রত গলায় বললাম – ‘ভাই, আপনি আমার হলুদ পাঞ্জাবি, লম্বা দাড়িগোঁফ দেখে বিভ্রান্ত হ-য়েছেন । আপনার দোষ নেই, অনেকেই হয় । বিশ্বাস করুন, আমি মহাপুরুষ না । অতি সাধারণ… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৩
হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-২
ভেতর থেকে দরজা বন্ধ থাকে । ছুটির দিনগুলিতে মেসে একটু ভাল খাওয়া-দাওয়া হয় । সবাই একসঙ্গে বসে খায় । তিনি কখনো বসেন না । সবার খাওয়া হয়ে গেলে এক সময় চুপি চুপি খেতে যান । মাথা নিচু করে অতি দ্রুত খাবার পর্ব শেষ করেন । যেন খাওয়া একটা অন্যায় কাজ । যত দ্রুত শেষ করা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-২
হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড -১
ঘুমের মধ্যেই শুনলাম কে যেন ডাকল, হিমু, এই হিমু ।গলার স্বর একইসঙ্গে চেনা এবং অচেনা । যে ডাকছে তার সঙ্গে অনেক বছর আগে পরিচয় ছিল, এখন নেই । মানুষটাকে ভুলে গেছি, কিন্ত্ত স্মৃতিতে তার গলার স্বর রয়ে গেছে । পুরুষালী ভারী গলা । একটু শ্লেষ্মা জড়ানো । আমি আধোঘুমে জবাব দিলাম, কে ? কেউ উত্তর… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড -১
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের শেষ খন্ড
তুমি কোথায় ডুব মেরে ছিলে ? মামার বাড়ি গিয়েছিলাম । মামা বাড়ি ? ক্লাস ফাঁকি দিয়ে মামার বাড়ি ? হ্যাঁ, মামার বাড়ি । হঠাৎ ওদের খুব দেখতে ইচ্ছা করল । তারা কি খুব চমৎকার মানুষ ? না । তারা পিশাচশ্রেণীর । কী সব কথা যে তুমি বল! সত্যি বলছি । আমার তিন মামা । তিনজনই… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের শেষ খন্ড
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ২৮
কথা বল ।কেন কথা বলার ইচ্ছা তা তো জিজ্ঞেস করলে না ।জিজ্ঞেস করলাম না কারণ কেন কথা বলার ইচ্ছা তা আমি জানি । তুমি লক্ষ্য করেছ যে আমি তোমার প্রতি তেমন কোনো আগ্রহ বোধ করিনি । গায়ে পড়ে কথা বলতে যাইনি, টেলিফোন করিনি, হঠাৎ বাসায় উপস্থিত হইনি । ব্যাপারটা তোমার অহংকারে লেগেছে । সুন্দরী মেয়েরা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ২৮
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ২৭
যেমন বুদ্ধদেব । ফুপু হতচকিতগলায় বললেন, তুই আমাকে আপনি না বলে তুমি তুমি করে বলছিস কেন ? আমি তো সবসময় তাই বলি । সে কী আমার তো ধারণা ছিল আপনি করে বলিস । জিনা ফুপু, আপনি ভুল করেছেন । আমার খুব প্রিয়জনদের আমি তুমি করে বলি । আপনি যদিও খুব কঠিন প্রকৃতির মহিলা, তবু আপনি… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ২৭
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ২৬
আমি শান্তস্বরে বললাম, মা কীভাবে মারা গিয়েছিলেন বাবা ? বাবা অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, এই প্রশ্নের জবাব আমি দেব না । তোকেই খুঁজে বের করতে হবে । শুধু হৃদয় বড় হলেই হবে না, তোকে বুদ্ধিমানও হতে হবে । তোর জ্ঞান এবং বুদ্ধি হবে প্রেরিত পুরুষদের মতো । শুধু একটা জিনিস মনে রাখবি, আমি যা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ২৬
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ২৫
ফোর্টি সিক্স ত্রূমোজমে মানুষের ভবিষৎ লেখা থাকে । সে কেমন হবে কী হবে, সব কিন্ত্ত প্রিডিটারমিন্ড । জিন সব নিয়ন্ত্রণ করেছে । ফুপা আর নেবেন না । আরে এখনি বন্ধ করব কী ? নেশাটা মাত্র ধরেছে । তুমি মানুষ খারাপ না । i like you. তুমি পাগল ঠিকই, তবে ভালো পাগল । তোমার বাবা ছিল… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ২৫
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ২৪
আপনি আমাদের এত কষ্ট দিচ্ছেন কেন ? কষ্ট দিচ্ছি ? হ্যাঁ দিচ্ছেন । না হয় আমরা একটা ভুল করেছিলাম । সব মানুষই তো ভুল করে । সামান্য ভুলের জন্যে যদি এত কষ্ট দেন ! আমি টেলিফোন করলে কষ্ট পাও ? হ্যাঁ পাই । কারণ আপনি হঠাৎ রেখে দেন । আপনি কি মানুষটাই এমন, না ইচ্ছা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ২৪