সমুদ্রের পানি রূপার মতো চকচক করছে, আর তোমরা ….. আমরা কী ? … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৬
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৫
তোর কাছে আসলাম একটা পরামর্শের জন্যে! আজই ওদের বিয়ে লাগিয়ে দাও । আজই বিয়ে লাগিয়ে দেব ? হু । কাজি ডেকে এনে বিয়ে পড়িয়ে দাও- ঝামেলা চুকে যাক । তারপর ওরা যত ইচ্ছা রাত জেগে গল্প করুক । আসল অনুষ্ঠান পরে হবে । বিয়েটা হয়ে যাক । ফুপু নিঃশ্বাস ফেললেন-মনে হচ্ছে আমার কথা তার মনে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৫
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৪
মামার পেট এফোড়–ওফোড় হয়ে যায় । কোচের খানিকটা পিঠ ছেদ করে বের হয়ে থাকে । উঠানে চাটাই পেতে মামাকে শুইয়ে রাখা হয় । দৃশ্য দেখার জন্যে সারা গ্রামের লোক ভেঙে পড়ে । তাকে সদর নিয়ে যাওয়ার জন্যে মহিষের গাড়ির ব্যবস্থা হলো । মামা ঠাণ্ডা গলায় বললেন, এতক্ষণ বাঁচব না । তোমরা আমাকে থানায় নিয়ে যাও… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৪
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৩
এসব বলবেন না তালই সাব । আত্মীয়ের মধ্যে গণ্ডগোল আমার পছন্দ হয় না । আইনের আশ্রয় নিলে আপনারও ক্ষতি, আমারও ক্ষতি । আর্থিক ক্ষতি, মানসিক ক্ষতি। কোর্ট ফি এখন বাড়ায় করেছে তিনগুণ । গরিব মানুষ যে একটু মামলা-মোকদ্দমা করবে সে উপায় রাখে নাই । বাবা হিমালয়, তুমি কি আমার সঙ্গে যেতে চাও না ? … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৩
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১২
পড়াশোনা করবে । তাকে স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে । আমার বড়মামা বিচিত্র ভঙ্গিতে হাসলেন । যেন এইরকম হাস্যকর… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১২
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১১
বাবা শীতল গলায় বললেন, প্রতিপদ শুরু হয়ে গেছে । দ্বিতীয়য় আমার মৃত্যু হবার কথা । কাজেই আমাকে বিরক্ত করবেন না । সবচে’ জরুরি কথাটাই আমার ছেলেকে বলা হয়নি – শোন হিমু, কোনোরকম উচ্চাশা রাখবি না । টাকাপয়সা করতে হবে, বড় হতে হবে, এইসব নিয়ে মোটেও ভাববি না । সমস্ত কষ্টের মূলে আছে আমাদের উচ্চাশা ।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১১
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১০
খুবই ভালো কথা । তাহলে এখন যান । এই দীর্ঘ কথোপকথনের কিছুই আমার মনে নেই । মনে থাকার কথাও নয় । বাবা প্রতিটি ঘটনা লিখে রেখে গেছেন বলে বলতে পারলাম । বাবার মধ্যে গবেষণাধর্মী একটা স্বভাব ছিল । অতি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে পাতার পর পাতা পরিষ্কার অক্ষরে লিখে গেছেন । তার বিদ্যা ছিল ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১০
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড-৯
সেই ভয়াবহ ঘটনা তিনি স্বীকার করেছেন । আমরা সবাই তো আমাদের ভয়ঙ্কর পাপের কথা স্বীকার করি না । আমার মতে, মহাপুরুষ হচ্ছে এমন একজন যাকে পৃথিবীর কোনো মালিন্য স্পর্শ করেনি । এমন কেউ কি সত্যি সত্যি জন্মেছে এই পৃথিবীতে ? ঘুমুতে চেষ্টা করছি । ঘুমুতে পারছি না । শীত শীত লাগছে । খালিগায়ে থাকার জন্যে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড-৯
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড-৮
বুড়ো মানুষ মুখের ঘাম মুছতে বলল, বুড়ো মানুষ, মাফ কইরা দেন । টাকাপয়সা কিছু তোমার কাছে নেই ? জ্বে না । কাইলও কোনো টিরিপ পাই নাই, আইজও পাই নাই । … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড-৮
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড-৭
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড-৭