কোথাও কেউ নেই পর্ব – ১৫ হুমায়ূন আহমেদ

ভেরি গুড। ছোকরা খারাপ না ভালই। কমিউনিটিং সেন্টার ভাড়া নিয়েছ? না নিয়ে থাকলে নিও না। হাফ খরচে বাড়ির সামনে প্যান্ডেল খাটিয়ে ব্যবস্থা করে দেব। নো প্রবলেম। মুনা হেসে ফেলল। বাকের অবাক হয়ে বলল, হাসছ কেন? বেকার যুবকরা সামান্য একটা কাজ পেলে কেমন লাফিয়ে ওঠে তাই দেখে হাসছি। বাকের মিইয়ে গেল। মুনা বলল, আইসক্রিম খাব না।… Continue reading কোথাও কেউ নেই পর্ব – ১৫ হুমায়ূন আহমেদ

কোথাও কেউ নেই পর্ব – ১৪ হুমায়ূন আহমেদ

সবচে যা সন্দেহজনক, মেয়ে তিনটি পাড়ার কোনো বাড়িতে এখন পর্যন্ত যায়নি। এই বয়সের মেয়েরা দিনরাত ঘরে বসে থাকবে কেন? তাছাড়া এরা প্রচুর গয়না পরে। অবিবাহিত মেয়েরা সাজগোজ করে ঠিকই এত গয়না পরে না। ব্যাপারটা নিয়ে ইয়াদের সঙ্গে আলাপ করলে ভাল হত। কিন্তু ইয়াদ হারামজাদাটা বিয়ের পর ভেড়ুয়া নাম্বার ওয়ান হয়ে গেছে। সেই তেজ সেই সাহসের… Continue reading কোথাও কেউ নেই পর্ব – ১৪ হুমায়ূন আহমেদ

কোথাও কেউ নেই পর্ব – ১৩ হুমায়ূন আহমেদ

বকুল পাশ ফিরল। কিন্তু কোনো শব্দ করল না। তার মুখ হাসি হাসি। সুন্দর কোনো স্বপ্ন দেখছে বোধ হয়। ওর বয়সে সে শুধু ভয়ের স্বপ্ন দেখত। একটা স্বপ্ন ছিল সাপের। স্বপ্নটা এত স্পষ্ট যে সব সময় মনে হত সত্যি। সে পুকুরে গোসল করতে গিয়েছে। পানিতে পা ছোঁয়াবার সঙ্গে সঙ্গে পানিতে ভাসতে ভাসতে একটা সাপ আসতে থাকে… Continue reading কোথাও কেউ নেই পর্ব – ১৩ হুমায়ূন আহমেদ

কোথাও কেউ নেই পর্ব – ১২ হুমায়ূন আহমেদ

বাকের হাতের ইশারায় জলিল মিয়াকে ডাকল। জলিল মিয়া ক্যাশ সামলাচ্ছিল। সকাল বেলাটা বিজনেসের আসল সময়। ক্যাশ ফেলে হুঁট করে উঠে আসা যায় না। কিন্তু না গিয়েই বা উপায় কি? বাকের ভাই ডাকছেন। জলিল মিয়া বহু কষ্টে মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলল। বিনীত একটা ভঙ্গি করে বলল, কি বাকের ভাই? কাছে আসতে বললাম। এক মাইল দূরে থেকে… Continue reading কোথাও কেউ নেই পর্ব – ১২ হুমায়ূন আহমেদ

কোথাও কেউ নেই পর্ব – ১১ হুমায়ূন আহমেদ

মামুন রাত আটটা পর্যন্ত অপেক্ষা করল। মুনার পাত্তা নেই। এমন কখনো হয় না। এই মেয়েটির কথার নড়াচড় হয় না। মামুন সে রাতেই মুনাদের বাসায় গিয়েছে। মুনা সহজ ভাবেই বলেছে মাথা ধরেছে কাজেই তোমার ওখানে যাইনি। তাছাড়া মন-টনও ভাল না, কোথাও যেতে ইচ্ছে করে না। তুমি বস, চা খাও। আমি একটু শুয়ে থাকব। মামুন রাত প্ৰায়… Continue reading কোথাও কেউ নেই পর্ব – ১১ হুমায়ূন আহমেদ

কোথাও কেউ নেই পর্ব – ১০ হুমায়ূন আহমেদ

অ্যাম্বুলেন্স আনতে গেছে মানে? আনতে গেলেই অ্যাম্বুলেন্স চলে আসে নাকি? চলে এলে তো কাজই হত। হাসপাতালে সত্যি সত্যি নিতে হলে হাতের কাছে যা পাওয়া যায় তাতে করেই নিতে হবে। বাকের ছুটিল বেবিটেক্সি ধরে আনতে। এই বেবিটেক্সিতেই টিনার যমজ ছেলে হল। বাকের দাঁতে দাঁত চেপে মনে মনে বলল, বেকুব মেয়েছেলেদের নিয়ে মুসিবত। বাচ্চা কার মত হয়েছে… Continue reading কোথাও কেউ নেই পর্ব – ১০ হুমায়ূন আহমেদ

কোথাও কেউ নেই পর্ব – ০৯ হুমায়ূন আহমেদ

শওকত সাহেব কিছু বললেন না। শমসের আলি নিচু গলায় কথা চালিয়ে যেতে লাগলেন। একজনকে উইথড্র করা মানে কেইস দুর্বল করা। চোখ বন্ধ করে ঘুমান, খালাস পেয়ে যাবেন। শুধু খালাস না। চাকরি ও ফেরত পাবেন। নাইন্টি নাইন পারসেন্ট গেরান্টি। শওকত সাহেব প্রায় তিন ঘণ্টার মত সময় বিন! কারণে অফিসে বসে কাটালেন। তিনি বুঝতে পারছিলেন সবাই খুব… Continue reading কোথাও কেউ নেই পর্ব – ০৯ হুমায়ূন আহমেদ

কোথাও কেউ নেই পর্ব – ০৮ হুমায়ূন আহমেদ

মুনা কী জবাব দেবে ভেবে পেল না। তাকাল বাকেরের দিকে। বাকের দাঁত বের করে হাসছে। কেন হাসছে কে বলবে। এটা একটা লজ্জায় ফেলার প্রশ্ন, এতে হাসির কিছু নেই। উকিল সাহেব অ্যাসট্রেতে একগাদা থুথু ফেলে সেদিকে গভীর মনোযোগের সঙ্গে তাকিয়ে রইলেন। যেন এই মুহূর্তে থুথুটায় বিরাট একটা কিছু ঘটবে। সেই ঘটনা তিনি প্রত্যক্ষ করতে চান। এক… Continue reading কোথাও কেউ নেই পর্ব – ০৮ হুমায়ূন আহমেদ

কোথাও কেউ নেই পর্ব – ০৭ হুমায়ূন আহমেদ

ইয়াদ খানিকক্ষণ পরই গলা নিচু করে বলতে লাগল, বড় ভাই এদিকে আবার ফ্যাচাং বঁধিয়ে ফেলেছে। আই.এ. পাস এক মেয়ের সাথে সম্বন্ধ করে ফেলেছে। মেয়ে কালো কিন্তু সুইট দেখতে। একটু অবশ্য রোগা। বাকের একটি কথাও বলল না। গম্ভীর হয়ে রইল। ইয়াদ নিজের মনেই কথা বলে যেতে লাগল–আমি নিজে তো মেট্রিকটা পাস করতে পারলাম না। এদিকে বউ… Continue reading কোথাও কেউ নেই পর্ব – ০৭ হুমায়ূন আহমেদ

কোথাও কেউ নেই পর্ব – ০৬ হুমায়ূন আহমেদ

বকুল জবাব দিল না। মাথা নিচু করে বসে রইল। আজ সে একটা ছাপা শাড়ি পরেছে। এত সুন্দর লাগছে তাকে দেখতে। মুনা মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে রইল। আরো কড়া কড়া কিছু কথা বলতে গিয়েও বলতে পারল না। প্রতিমার মত একটি কিশোরীকে কোনো কড়া কথা বলা যায় না। মুনা কোমল স্বরে বলল, কাঁদছিস কেন তুই? বকুল চোখ মুছে… Continue reading কোথাও কেউ নেই পর্ব – ০৬ হুমায়ূন আহমেদ