আসমানীরা তিন বােন পর্ব:০৯ হুমায়ূন আহমেদ

আসমানীরা তিন বােন পর্ব:০৯

সুন্দরী অপেরার একটা পালা দেখে মন উদাস হয়েছিলযে মেয়েটা নায়িকার বােন করেছিল সে ছিল সাক্ষাৎ বিউটিতার নাম হেনামাঝে মাঝে আমার মন যদি উদাস হয় তখন খবর দিয়া যাত্রার দল নিজের কাছে নিয়া আসিহেনারে বলি, পাট গাইয়া শােনাওসে পাট গায় । সার্কাস কিনতে চাচ্ছেন কেন ? সার্কাসের কাউকে মনে ধরেছে

দড়ির খেলা যে দেখায়েছে এদের প্রত্যেকটারে মনে ধরেছেবিশেষ করে ছােটটারেআচ্ছা ছােট মেয়েটার নাম নাকি পয়সা, এটা কি সত্য ? হা সত্যপয়সা যার নাম সে তাে থাকবে আমার সাথে টাকা পয়সা বশির মােল্লার কাছে না থাকলে কার কাছে থাকবে বলেন

স্যার, আজ আমি উঠি। উঠতে চাইলে উঠেনআপনের মূল্যবান সময় নষ্ট করেছি এই জন্যে সামান্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা আছে। বশির মােল্লা বালিশের নিচে থেকে একশ টাকার একটা বান্ডিল বের করলএমনভাবে বের করল যেন পিস্তলটা দেখা যায়

তৈয়ব শুকনা গলায় বলল, আমাকে কিছু দিতে হবে না। বশির মােল্লা বিরক্ত গলায় বলল, আমারে নাকথাটা বলবেন নানাশুনতে আমার ভালাে লাগে নাএইখানে দশ হাজার টাকা আছেটাকাটা রাখেনসন্ধ্যাকালে আবার আপনার সাথে দেখা হবে। আবার দেখা হবে কেন ?

আসমানীরা তিন বােন পর্ব:০৯

পয়সা মেয়েটারে মেডেল দিব ডিক্লেয়ার দিয়েছিমেডেল দিব না ? স্বর্ণকারের দোকানে লােক চলে গেছেদুই ভরি ওজনের মেডেলমেডেলের সাথে টাকার পরিমাণ আগে বলেছিলাম এক হাজার, এখন এটারে বাড়ায়ে করেছি দশ হাজারএক হাজার টাকা দিলে বশির মােল্লার মান থাকে নাআপনের নামটা ভুলে গেছিআপনার কী যেন নাম তৈয়বপাখির ক্যাচক্যাচানি শুনতেছেন ? কীসের ক্যাচক্যাচানি

পাখির জি শুনতেছি। ক্যাচক্যাচ শব্দটা এক্কেবারে মাথার ভিতরে ঢুকেএরা এমন ত্যক্ত করে, পাখির ক্যাচক্যাচানি থামাও। বশির মােল্লার কথা শেষ হবার আগেই লঞ্চের ছাদ থেকে দোনলা বন্দুকের আওয়াজ হলােতৈয়ব বুঝতে পারছে বন্দুকের শব্দ পাখিদের শুনানাের জন্যে নাতাকে শুনানাের জন্যে। 

হারুন সরকার হাসপাতালের বিছানায় পা গুটিয়ে বসে আছেতার মাথা ঘুরছে, শরীর এলােমেলাে লাগছেমনে হচ্ছে যেকোনাে মুহূর্তে সে মাথা ঘুরে বিছানায় পড়ে যাবেসেই পড়াই হবে শেষ পড়াআর উঠা যাবে নামৃত্যু হবে নিতান্তই অপরিচিত ফিনাইলের গন্ধ মাখা বিছানায়তারপরও হারুন সরকার চেষ্টা করছে মুখ হাসি হাসি রাখার

ভাবটা এরকম যেন সে ভালাে আছেবেশ ভালােএরকম ভাব দেখানাে প্রয়ােজন হয়ে পড়েছে, কারণ সে হাসপাতাল থেকে রিলিজ নেয়ার চেষ্টায় আছেসারাদিন ফিনাইলের গন্ধের মধ্যে পড়ে থাকতে হবেসন্ধ্যার পর জিনের বােতল নিয়ে বসা যাবে নাএটা ভেবেই তার শরীরে ছটফটানি চলে আসছেতার মন বলছে বেশি করে তেঁতুল দিয়ে দুগ্লাস জিন খেলেই শরীরে চনমনে ভাব চলে আসবে

আসমানীরা তিন বােন পর্ব:০৯

ডাক্তারের সঙ্গে সকালবেলা হারুন সরকার রিলিজ নিয়ে কথা বলেছেডাক্তার হতভম্ব মুখ করে বলেছেআপনি রিলিজ নিতে চান ? আপনি জানেন আপনার প্রেসার কত? পালস রেট কত ? চোখ গাঢ় হলুদ হয়ে আছেআমার ধারণা আপনার খারাপ ধরনের জন্ডিস হয়েছে। হারুন সরকার মিনমিন করে বলেছে, হাসপাতালে থাকলে শরীর আরাে বেশি খারাপ করবে। কেন

হারুন সরকার চুপ করে গেলডাক্তার এবং পুলিশ এই দুই জাতির কাছে তারা যা বলে সেটাই শুদ্ধএদের সঙ্গে তর্কে যাওয়া বৃথাএখন এক মাত্র ভরসা তৈয়বএকমাত্র সেপারবে তাকে এই জেলখানা থেকে বের করে নিয়ে যেতেবসে আছেন কেন ?

শুয়ে থাকুনরেস্ট নিন। হারুন সরকার ডাক্তারের কথা শুনল নাবসে রইলরাগে মুখের ভেতর ফেনা জমে যাচ্ছেফেনার স্বাদ তিক্তলক্ষণ ভালাে নামৃত্যুর আগে আগে মুখের ভেতরে তিতা ভাব চলে আসেরসগােল্লা খেলেও মনে য় রসে ডুবানাে তিতা করলা খাওয়া হচ্ছে। তৈয়বের উপর প্রচণ্ড রাগ লাগছেছাগলটা কখন আসবে ? হারুন সরকারের মৃত্যুর পরে আসবে জানাজা পড়াতে। এইসব অকর্মণ্য ছাগলগুলিকে লাথি মেরে বার্মা পাঠিয়ে দেয়া দরকার

মিলিটারিদের গুতা খেয়ে মরুকহারুন সরকার মনে মনে ঠিক করে ফেলল তৈয়ব যদি দুপুরের খাওয়ার আগে না আসে তাহলে স্বাধীন বাংলা সার্কাসের চাকরি তার শেষ প্রয়ােজনে হারুন সরকার হাট থেকে একটা বুড়া ভেড়া কিনে আনবেভেড়াকে ম্যানেজারের চাকরি দেবে কিন্তু তৈয়বকে রাখবে নাতৈয়বের দিন শেষ

আসমানীরা তিন বােন পর্ব:০৯

দুপুরের খাওয়ার সময় শেষ হলাে, তৈয়ব এলাে নাহারুন সরকার সময় আরেকটু বাড়ালআছর ওয়াক্তে এলেও চাকরি থাকবেতৈয়ব এলাে আছর পার করে হারুন সরকার বলল, এতক্ষণ ...ছিড়ছিলা ? থাপপড় দিয়ে তােমার দাঁত যদি না ফেলি। তৈয়ব শান্ত গলায় বলল, আপনার শরীর তাে খারাপ জ্বর বেড়েছে। হারুন সরকার তুই তুকারিতে চলে গেলচাপা গলায় ক্রুদ্ধ গর্জন করল, খবর্দার, গায়ে হাত দিবি না। 

শুয়ে থাকেনবসে আছেন কেন ? আবার কথা বলেএই রকম করতেছেন কেন? সন্ধ্যার আগে আমাকে হাসপাতাল থেকে বের করার ব্যবস্থা করআচ্ছা করতেছিআপনি শান্ত হন। হারুন সরকারের রাগ সঙ্গে সঙ্গে পড়ে গেলএতক্ষণ তিনি যে রাগারাগি করছিলেন তার জন্যে খানিকটা লজ্জাও লাগলহুট করে এতটা রাগ করা ঠিক হয় নিতৈয়ব ছেলে ভালাে। তৈয়বজি। আমারে বের করার ব্যবস্থা করজি করতেছি। 

আজ রাতটা এখানে থাকলে আমি মারা যাবঅবশ্য এখানে না থাকলেও মারা যাবতখন মরব নিজের বিছানায়। আপনার শরীর কিন্তু বেশি খারাপ। শরীর খারাপ হােক বা ভালাে হােক, তুমি তেঁতুলের জোগাড় দেখকী বললেন?‘ প্রশ্ন করবা নাযা বলব মাথা হেট করে শুনবা এবং সেই মতে কাজ করবাখাম্বার মতাে দাঁড়ায়ে আছ কেন ? আমার রিলিজের কী ব্যবস্থা করলা করতেছি

আসমানীরা তিন বােন পর্ব:০৯

হারুন সরকার ক্ষুব্ধ গলায় বলল, আমি সকাল থেকে ছটফট করতেছি, তুমি আসলা সন্ধ্যা পার করেআমি যে একটা মানুষ এই বােধটা তাে তােমাদের মধ্যে নাইকেউ তাে আমারে দেখতেও আসল না আর কেউ আসুক না আসুক জামদানীর তাে আসা উচিত ছিলএই মেয়েটাকে আমি অত্যাধিক স্নেহ করিআমি সবাইকে আসতে নিষেধ করেছিকেন ? আসলেই আপনি কথা বলবেনআপনার বিশ্রাম হবে না। আমার দিকে তােমার দেখি বড়ই দরদশােন তৈয়ব, মায়ের চেয়ে যদি অন্য কারাের প্রতি বেশি দরদ হয় তারে বলে ভানভান কি জানাে ?

ভান হলাে শয়তানতুমি অবশ্যই শয়তানজি আচ্ছাদেখি আপনের রিলিজের ব্যবস্থা করি। তেঁতুল লাগবেআজ কিন্তু তেঁতুল ছাড়া হবে নাআরেকটা কথাজামদানীরে নিষেধ করবা সে যেন আগামী সাতদিন আমার সামনে না আসেআমি তার উপর বেজার হয়েছিতাদের তিন বােনুরেই এই কথা বলবা তাদের তিনজনের উপরই আমি বেজার হয়েছিএদেরকে আমি অত্যাধিক স্নেহ করতামএখন অত্যাধিক ঘৃণা করি

আমার সবই বেশি বেশিআমার স্নেহ যেমন বেশি, ঘৃণাও বেশিআমার মধ্যে মাঝামাঝি বলে কিছু নাইঅমাবস্যা পূর্ণিমায় জন্ম নিলে এই জিনিস হয়তাদের মাঝামাঝি কিছু থাকে নাআমার জন্ম পূর্ণিমার রাতে। তারিখটা এখন মনে পড়তেছে নাপেটে মাল পড়লে মনে পড়বেতখন তােমারে বলব

আসমানীরা তিন বােন পর্ব:০৯

জি আচ্ছা। তৈয়বের সঙ্গে কথা বলে হারুন সরকার হাপিয়ে গিয়েছেবড় বড় নিঃশ্বাস নিচ্ছেকিন্তু তার শরীরটা এখন আগের চেয়ে ভালাে লাগছেমাথা ঘুরানাে বন্ধ হয়েছেতলপেট থেকে ধাক্কার মতাে কী যেন উপরের দিকে আসতসেটাও বন্ধশুধু বুক ধুকপুক করছেশব্দ করে করছেমনে হচ্ছে কেউ তার জামার 

নিচে বসে ডুগডুগি তবলা বাজাচ্ছেযে বাজাচ্ছে সে প্লেয়ার ভালােবিশ্রাম নেয়ার জন্যে এক মুহূর্তের জন্যও থামছে নাবাজিয়েই যাচ্ছেতেরে কেটে তাক তাকতেরে কেটে তাক তাক। 

আসমানীরা তিন বােন স্পিড বােটে বসে আছেনি পাের্টার স্পিড বােট চালাচ্ছেতিন বােনই খুব মজা পাচ্ছেবাঁক নেবার সময় স্পিড বােট কাত হয়ে যাচ্ছে মনে হচ্ছে এই বুঝি উল্টে পড়ল পানিতেমজাটা তখন খুব বাড়ছে। আসমানী এবং জামদানী প্রথমে বিদেশী সাহেবের কাছে কিছুতেই আসতে রাজি হয় নিকিন্তু পয়সা যাবেই

আসমানীরা তিন বােন পর্ব:০৯

তার একটাই কথাতাকে চা খাবার দাওয়াত করা হয়েছেসে বলেছে যাবেএখন আর কিছুতেই না বলা সম্ভব নাএটা সে করতে পারবে না। জামদানী বলল, করতে পারবে না কেন? পয়সা কঠিন মুখ করে বলল, কারণ আমি বলেছি যাবআসমানী বলল এটা তাে কোনাে কঠিন প্রতিজ্ঞা না, যে যাব বললে যেতেই হবেপয়সা বলল, আমার জন্যে এটা কঠিন প্রতিজ্ঞা। 

আসমানী বলল, তাের জন্যে কঠিন প্রতিজ্ঞা হবে কেন ? তুই কি লালমুখা বান্দরের প্রেমে পড়েছিস

পয়সা বলল, হ্যা আমি প্রেমে পড়েছিআমি তার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিতার চাদমুখ না দেখতে পেলে আমি মরে যাব। তামাশা করছিস কেন

আমি তামাশা করছি নাতােমরা তামাশা করছআমাকে আটকে রাখছআমি দশ মিনিটের জন্যে যাব। এক কাপ চা খেয়ে চলে আসব। ঠিক আছে তাহলে আমরাও যাব। পয়সা বলল, বেড়াতে যাবার জন্যে যদি যেতে চাও তাহলে অবশ্যই যাবেকিন্তু আমাকে পাহারা দেবার জন্যে যেতে পারবে না। আসমানী বলল, তুই কি পাহারার উর্ধ্বে ?

পয়সা বলল, হঁ্যা। জামদানী বলল, তুই কিন্তু তাের জন্যে বিরাট বিপদ ডেকে আনছিসখাল কেটে বিদেশী কুমীর আনছিস। পয়সা ঘাড় বাঁকিয়ে বলল, ভালাে করছিআসমানী এবং জামদানী মেজাজ খারাপ করে বােনের সঙ্গে গেলযাবার পথে দুজনের কেউই একটা কথাও বলল না

আসমানীরা তিন বােন পর্ব:০৯

নি পাের্টারের তাঁবুর ভেতর ঢােকার দশ মিনিটের মাথায় তিনজনেরই মেজাজ ভালাে হয়ে গেলকারণ নি পাের্টার তাদের জন্যে ভালাে চমকের ব্যবস্থা রেখেছিলসে তার ভিডিও ক্যামেরায় দড়ির উপর তিন বােনের ছােটাছুটির পুরােটাই ভিডিও করে রেখেছিল লং শট, ক্লোজআপ সবই আছেদর্শকদের রিএকশান আছেপয়সা যে মাঝে মধ্যেই পড়ে যাবার ভঙ্গি করছেআবার দড়ি থেকে লাফিয়ে উঠে নিজেকে ঠিক করছে তাও আছে। 

ভিডিও দেখে তিনবােনই অবাকতাদের নিজেদের খেলাটা যে এত সুন্দর এত মজার তা তারা কল্পনাও করে নিপয়সা বলল, আমি আবার দেখবনি পাের্টার হাসি মুখে বলল, অবশ্যইপুরােটা আবার দেখা হলােদ্বিতীয়বার দেখার সময় তিন বােনের আরাে মজা লাগলপয়সার আরাে একবার দেখতে ইচ্ছা করছে কিন্তু লজ্জায় মুখ ফুটে বলতে পারছে না। 

তিন বােনের জন্য গিফট র্যাপে মােড়া তিন প্যাকেট চকলেট ছিলআর তিনটা সেন্টের শিশিশিশির রঙ গাঢ় নীলআর শিশিটা এমন অদ্ভুত সুন্দর দেখে মনে হয় নীল রঙের তিন মেয়ে কোমর বাঁকিয়ে দাঁড়িয়ে আছেপয়সার চোখে পানি এসে যাচ্ছিলতারা তিন বােন পুরস্কার হিসেবে সােনারুপার মেডেল পেয়েছে, টাকা পেয়েছে; কিন্তু এত সুন্দর উপহার তাদেরকে কেউ দেয় নি। 

স্পিড বােট নিয়ে ঘােরার সময়ও মজা কম হলাে নাএক সময় সাহেব বলল, তােমরা কেউ স্পিড বােট চালাবে ? হাল ধরে থাকলেই হবেআর কিছু করতে হবে না। পয়সা বলল, আমি চালাবআসমানী বলল, না না, তুই উল্টে ফেলবিউল্টে ফেললে ফেলব কিন্তু আমি চালাবই। পয়সা কোনাে রকম সমস্যা ছাড়াই স্পিড বােট চালালতখন জামদানী বলল, আমিও চালাব। আসমানীও বাদ রইল না

আসমানীরা তিন বােন পর্ব:০৯

পয়সার শরীর ঝনঝন করছেকিছুতেই সে বুঝে উঠতে পারছে না তার এত আনন্দ হচ্ছে কেন ? খুব বেশি আনন্দ হলে তার শরীর টলমল করতে থাকে তখন খুব সমস্যা হয়দড়ির উপর ঠিকঠাক পা পড়ে নাব্যালেন্সে খুব অসুবিধা হয়আজ অবশ্যই অসুবিধা হবেএবং আরেকটা ব্যাপারও হবেরাতে এক ফোটা ঘুম হবে নাপয়সার এই ব্যাপারটা মাঝে মাঝেই হয়সারারাত এক ফোটা ঘুম আসে না। 

হারুন সরকারের মনে হচ্ছে তার শরীর পুরােপুরি সেরে গেছেদুর্বল ভাবটা আছে, বুকের ধুকধুকানিও আছেতার পরেও শরীর যে পুরােপুরি সেরেছে এই বিষয়ে সে নিশ্চিতকারণ সিগারেটে টান দিতে ভালাে লাগছেজিনের গ্লাসে চুমুক দিতেও ভালাে লাগছেবমি আসছে নাশরীর সেরেছে কী সারে নি তার আসল পরীক্ষা সিগারেটে শরীর খারাপ থাকলে সিগারেটে টান দেয়া যায় না

সে তাে ভালােই টানছেহারুন সরকার তেঁতুল মিশানাে জিনের গ্লাসে লম্বা টান দিয়ে গাঢ় স্বরে ডাকল, তৈয়বতৈয়ব বলল, জিকাছে আছ তাে ? জি, কাছে আছিশাে শুরু করে দিয়ে আবার চলে আসবেজি চলে আসবকিন্তু আপনে একটু ধীরে খানআপনার শরীর ঠিক হয়নাই। শরীর ঠিক আছেআমার শরীর আমি বুঝব না, তুমি বুঝবে ? শরীর নিয়া কোনাে কথা বলব না। টিকিট বিক্রির অবস্থা কী

আজও সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। হারুন সরকার তৃপ্তি নিয়ে বলল, হাতির বাচ্চাটার জন্মের পর থেকে আমাদের ভাগ্য ফিরে গেছে। হতে পারে । হতে পারে টারে কিছু নাঘটনা এটাইহাতিবাচ্চারে একটা রূপার ঘণ্টা বানায়ে দিবেঘণ্টা গলায় ঝুলবে। 

 

Read more

আসমানীরা তিন বােন শেষ:পর্ব হুমায়ূন আহমেদ

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *