মীর মশাররফ হোসেন এর জীবনী ও সাহিত্যকর্ম

মীর মশাররফ হোসেন এর জীবনী

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম উল্লেখযোগ্য মুসলিম সাহিত্যিক বা গদ্য লেখক ছিলেন মীর মশাররফ হোসেন । তিনি ১৩ নভেম্বর, ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলার গৌরনদীর তীরের লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন । তাঁর পিতা ও মাতার নাম মীর মোয়াজ্জেম হোসেন ও দৌলতননেসা । গাজী মিয়া ছদ্মনামে লিখতেন মীর মশাররফ হোসেন।

মীর মশাররফ হোসেন

  • ’বিষাদসিন্ধু’ একটি – ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস ।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিকের নাম – মীর মশাররফ হোসেন
  • মীর মশাররফ হোসেনের নাটক কোনটি? – বেহুলা গীতাভিনয় ।
  • ’উদাসীন পথিকের মনের কথা’ কোন জাতীয় রচনা – আত্মজৈবনিক উপন্যাস ।
  • ’বিষাদ সিন্ধু’ কার রচনা – মীর মশাররফ হোসেন
  • বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থ কোনটি – বসন্ত কুমারী ।
  • মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি – উদাসীন পথিকের মনের কথা ।
  • লাহিনীপাড়া – মীর মশাররফের জন্মস্থান।
  • মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম গ্রন্থ – রত্নাবতী ।
  • মীর মশাররফ হোসেনের জীবনকাল – ১৮৪৭-১৯১২ ।
  • বাংলা সাহিত্যে প্রথম উল্লেখযোগ্য মুসলমান সাহিত্যিক – মীর মশাররফ হোসেন
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার – মীর মশাররফ হোসেন
  • ’জমিদার দর্পন’ কার লেখা – মীর মশাররফ হোসেন।
  • Bengali Epic ‘Bishaad Shibdhu’ was written by – Mir Mosharraf Hossain.
  • ’বিষাদ সিন্ধু’ লেখকের পরিচয় – একজন সাংবাদিক কবি ।
  • ’বিষাদ সিন্ধু’ কোন যুগের গ্রন্থ – আধুনিক যুগের ।
  • মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’ একটি – উপন্যাস ।
  • কারবালার যুদ্ধ – মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’ ঐতিহাসিক ঘটনা অবলম্বনে লিখিত।
  • মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’ গ্রন্থটি সম্পর্কে কোন উক্তিটি উপযোগী – এটি ঐতিহাসিক ঘটনার আবেগ-নির্ভর মর্মস্পর্শী বর্ণনা ।

    মীর মশাররফ হোসেন এর জীবনী ও সাহিত্যকর্ম

  • ’উদাসীন পথিকের মনের কথা’ কার রচনা – মীর মশাররফ হোসেন
  • মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক রচনা – গাজী মিয়াঁর বস্তানী ।
  • ’গাজী মিয়াঁর বস্তানী’ কি ধরনের রচনা – উপন্যাস ।
  • মীর মশাররফ হোসেনের ‘মোসলেম বীরত্ব’ কোন ধরনের গ্রন্থ – কাব্যগ্রন্থ ।
  • ’বিবি কুলসুম’ কার রচনা – মীর মশাররফ হোসেন
  • মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘বসন্তকুমারী’ নাটকটি প্রকাশিত হয় – ১৮৭৩ সালে ।
  • মীর মশাররফ হোসেন ‘বসন্তকুমারী’ নাটকটি কাকে উৎসর্গ করেন – নওয়াব আবদুল লতিফকে ।
  • তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য – গোরাই ব্রিজ অথবা গৌরী সেতু (১৯৭৩), বিবি খোদেজার বিবাহ (১৯০৫), ওমরের ধর্মজীবন লাভ (১৯০৫), হযরত বেলালের জীবনী (১৯০৫), হযরত আমীর হামযার ধর্মজীবন লাভ (১৯০৫), মদিনার গৌরব (১৯০৬), মোসলেম বীরত্ব (১৯০৭), বাজীমাৎ (১৯০৮), সালে প্রকাশিত হয়।
  • তাঁর পদ্যানুবাদ – ঈদের খোতবা (১৯০৯), উপদেশ (১৯১৫) সালে প্রকাশিত হয় ।
  • মীর মশাররফ হোসেনের অন্যান্য – মৌলুদ শরীয়া (১৯০৩ ধর্মগ্রন্থ), মুসলমানের বাঙ্গালা শিক্ষা (প্রথম, দ্বিতীয়) ।
  • মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনী – ’আমার জীবনী’ (১৯১০), ‘কুলসুম জীবনী’ (১৯১০) ।
  • বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম সহিত্যিক রচিত প্রথম প্রহসন – ‘এর উপায় কি? (১৮৭৫) ।

 

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *