• Wednesday , 25 November 2020

হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা বাদশাহ নামদার পর্ব –২৯

বৈরাম খাঁ ঘোড়সোয়ার বাহিনী নিয়ে এগিয়ে আসছেন-এই খবর পাওয়া গেছে । বৈরাম খাঁ দুর্গ আক্রমণের পর কামান দাগা শুরু হবে। দুর্গের ভেতর থেকে গোলাবর্ষণ বন্ধ হওয়ামাত্র মীর্জা কামরান পেছন থেকে আক্রমণ করবেন । তাঁর মূল লক্ষ্য থাকবে হুমায়ূনকে হত্যা করা । গত কয়েকবারের যুদ্ধে দেখা গেছে, বৈরাম খাঁ’র প্রধান চেষ্টা থাকে হুমায়ূনকে মূল যুদ্ধের বাইরে রাখা । এবারও তাই হবে । হুমায়ূন থাকবেন কামানের গোলার সীমানার বাইরে । পেছন থেকে তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়া সহজ হবে ।

যুদ্ধ এবং প্রেমে কোনোকিছুই পরিকল্পনামতো হয় না । বৈরাম খাঁ সঙ্গে হুমায়ূনকে আনেন নি । এবং তিনি দুর্গ আক্রমণ করলেন না । কামানের গোলার সীমানার বাইরে অবস্থান নিলেন । নিজের কামানগুলি দুর্গ বরাবর তাক না করে তাঁর সৈন্যদলের পেছনে বসালেন যেন শত্রু পেছন থেকে আসতে না পারে । দুর্গ লক্ষ্য করে কামান দাগাও যাচ্ছে না । শিশু আকবর সেখানে আছে, গোলার আঘাতে তার ক্ষতি হতে পারে ।

মীর্জা কামরান দ্রুত নতুন পরিকল্পনা করলেন । তিনি হুমায়ূন যেখানে আছেন সেখানে চলে যাবেন । বৈরাম খাঁ দুর্গ জয়ে ব্যস্ত থাকবে, তিনি ঝাঁপিয়ে পড়বেন হুমায়ূন শিবিরে ।

বৈরাম খাঁ ফজর ওয়াক্তে তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই দুর্গ দখল করলেন । সেদিন ছিল শুক্রবার । মসজিদে হুমায়ূনের নামে খুৎবা পাঠের শেষে শিশু আকবর এবং হামিদা বানুকে নিয়ে যাত্রা শুরু করলেন ।

বাদশাহ নামদার পর্ব –২৯

রাতের প্রথম প্রহর । তাঁবুর বাইরে হুমায়ূন গালিচা পেতে বসেছেন । আফিম সেবন করবেন, তার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে । হুমায়ূনের মন খানিকটা বিক্ষিপ্ত । কাবুল জয়ের কোনো খবর এখনো তাঁর কাছে পৌঁছায় নি । এই মুহূর্তে তিনি জোনাকি দেখছেন । এই অঞ্চলের মতো জোনাকি আর কোথাও তিনি দেখেন নি । শত শত জোনাকি দল বেঁধে ঘুরছে । বিশেষ বিশেষ মুহূর্তে সবাই একসঙ্গে আলো নিভিয়ে দিচ্ছে । তখন মনে হয় কোনো জোনাকি নেই । আবার তারা আলো জ্বালাচ্ছে । জোনাকি পোকা অনুসরণ করতে গিয়ে নতুন খাটানো ছোট্ট একটা তাঁবুর দিকে হুমায়ূনের চোখ গেল । বিশেষত্বহীন তাঁবু, কিন্তু ছয়জন সৈনিক তাঁবুটি পাহারা দিচ্ছে । তিনি জওহরকে বললেন, তাঁবুটা কার ?

জওহর বলল, বৈরাম খাঁ’র ।

তাঁবুর চারদিকে পাহারা কেন ?

জানি না জাহাঁপনা ।

অনুসন্ধান করো ।

আপনার অনুমতি ছাড়াই আমি অনুসন্ধানের চেষ্টা চালিয়েছিলাম । সৈনিকরা আমাকে তাঁবুর কাছে যেতে দেয় নাই ।

হুমায়ূন উঠে দাঁড়ালেন । তাঁবু রহস্য ভেদ করে তিনি আফিম নিয়ে বসবেন । তাঁকে খানিকটা চিন্তিত মনে হলো ।

তিনি তাঁবুর কাছে যেতেই সৈনিকরা কুর্নিশ করে সরে দাঁড়াল । হুমায়ূন বললেন, তাঁবুর ভেতর কী ?

সৈনিকরা বলল, তাঁবুর ভেতর একজন কেউ আছে । সে কে আমরা জানি না জাহাঁপনা । বৈরাম খাঁ তাকে তাঁবুতে রেখেছেন । আমাদের ওপর নির্দেশ সে যেন পালিয়ে যেতে না পারে এবং কেউ যেন তাঁবুতে ঢুকতে না পারে ।

হুমায়ূন পর্দা সরিয়ে তাঁবুতে ঢুকে কিছুক্ষণের জন্যে স্তম্ভিত হয়ে গেলেন । অবিকল তাঁর মতো দেখতে এবং তাঁর সাজ পোশাকে একজন কে তাঁবুর ভেতরে চারপাই-এ বসে আছে । সে সম্রাটকে দেখে উঠে দাঁড়াল এবং কুর্ণিশ করল । হুমায়ূন বলল, তুমি কে ?

জাহাঁপনা আমি একজন তুর্ক । আমার নাম হামজা ।

তুমি দেখতে অবিকল আমার মতো এটা জানো ?

বাদশাহ নামদার পর্ব –২৯

জানি জাহাঁপনা । এই জন্যেই আমাকে আটকে রাখা হয়েছে ।

তুমি দেখতে আমার মতো এটা কোনো অপরাধ হতে পারে না ।

ঘটনা আমাকে খুলে বলো ।

জাহাঁপনা, আমি দুসরা হুমায়ূন । যদি কোনো দুর্ঘটনায় আপনার প্রাণহানি হয়, তখন আমাকে দেখিয়ে বলা হবে হুমায়ূন জীবিত । সৈন্যদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি যাতে না হয় সেই ব্যবস্থা

তোমার পেশা কী ?

জাহাঁপনা, আমি একজন মুচি । পাদুকা সেলাই করি ।

হুমায়ূন বললেন, একই চেহারার দুজন মানুষ, একজন সম্রাট আরেকজন পাদুকা সেলাই করে । কী আশ্চার্য! তুমি আজ রাতে আমার সঙ্গে খানা খাবে ।

জাহাঁপনা, এই তাঁবুর বাইরে যাওয়ার আমার হুকুম নাই ।

তোমার জন্মতারিখ কী ?

আমার মতো মানুষের জন্মতারিখ কেউ রাখে না জাহাঁপনা ।

বিবাহ করেছ ?

জি জাহাঁপনা ।

স্ত্রী নাম কী ?

যদি গোস্তাকি না নেন তাহলেই স্ত্রীর নাম বলতে পারি ।

গোস্তাকি নেব না ।

আমার স্ত্রীর নাম হামিদা ।

হুমায়ূন বিড়বিড় করে যে শের আবৃত্তি করলেন তার অর্থ

‘বিশ্বের বিপুল রহস্যের আমরা যেটুকু জানি

তাও রহস্যে ঢাকা ’

নিজ তাঁবুতে ফিরে তেমন কোনো কারণ ছাড়াই হুমায়ূন অসুস্থ হয়ে পড়লেন । প্রবল জ্বরে তাঁর শরীর কাঁপতে লাগল । বিকারের ঘোরে বারবার ডাকতে লাগলেন, আকিকা বেগম! ‍তুমি কোথায় ? আকিকা!

সবাই যখন হুমায়ূনকে নিয়ে ব্যস্ত ঠিক তখনই মীর্জা কামরান তাঁর বাহিনী নিয়ে উপস্থিত হলেন । অতর্কিত আক্রমণে হুমায়ূনের বাহিনী হকচকিয়ে গেল । মীর্জা কামরান বূহ্যের ভেতর ঢুকে পড়ল । যে-কোনো মুহূর্তে হুমায়ূনের তাঁবু আক্রান্ত হবে এমন অবস্থা।

বাদশাহ নামদার পর্ব –২৯

হুমায়ূনকে রক্ষার জন্যে মীর্জা হিন্দাল এগিয়ে গেলেন । মীর্জা কামরান যুদ্ধে পরাজিত হয়ে পালিয়ে গেলেন, তবে একা গেলেন না। তাঁর ছোটভাইয়ের ‘প্রাণ’ সঙ্গে করে নিয়ে গেলেন । মীর্জা হিন্দাল যুদ্ধে নিহত হলেন ।

বৈরাম খাঁ শিশু আকবর, তার মা হামিদা বানু এবং হুমায়ূন-মাতা মাহিম বেগমকে নিয়ে ফিরলেন পরদিন ভোরে ।

বৈরাম খাঁ’র মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল । হুমায়ূন অচেতন, মীর্জা হিন্দাল নিহত । সৈন্যবাহিনী লণ্ডভণ্ড ।

দুটি মৃত্যুসংবাদ দাবানলের মতো ছড়িয়েছে । দিল্লীর সিংহাসনের অধিকর্তা ইসলাম শাহ্’র মৃত্যু এবং বাবরপুত্র হুমায়ূনের মৃত্যু ।

ইসলাম শাহ’র উত্তরাধিকারী তিনজন । তারা সিংহাসনের দখল নেওয়ার চেষ্টায় আছেন । জায়গায় জায়গায় তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়েছে । ছোট রাজ্যের রাজারা কোন পক্ষ নেবেন ঠিক করতে ব্যস্ত ।

হুমায়ূনের উত্তরাধিকারি শিশু আকবর । মোগল শিবির শান্ত । আমীরদের মধ্যেই যা কিছু অস্থিরতা । তাঁরা জানতে চান হুমায়ূনের মৃত্যুসংবাদ কতটুকু সত্যি!

হুমায়ূন গুরুতর অসুস্থ এটা সত্যি । রাজমহিষীরা সবাই চলে এসেছেন এটাও সত্যি । অসুস্থ হুমায়ূন রাজমহিষীদের তত্ত্বাবধায়নে আছেন । তাঁরা হুমায়ূন সম্পর্কে কোনো তথ্যই জানাচ্ছেন না । সম্রাটের ব্যক্তিগত মৌলানাকে তাঁবুতে ঢুকে চিন্তিত অবস্থায় বের হতে দেখা গেছে । সম্ভবত তিনি শেষযাত্রার প্রস্তুতি হিসেবে তওবা করিয়েছেন ।

আমীররা বৈরাম খাঁ’র সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন । বৈরাম খাঁ’র কাছ থেকে ভেতরের খবর যদি কিছু পাওয়া যায় ।

বৈরাম খাঁ বললেন, আমার ধারণা সম্রাট মৃত । রাজমহিষীদের কাছ থেকে ইঙ্গিত সে রকম পাচ্ছি ।

আমীদের একজন (সালার খাঁ)বললেন, এই অবস্থায় আমাদের করণীয় কী ?

বাদশাহ নামদার পর্ব –২৯

বৈরাম খাঁ বললেন, আপনারা চিন্তা করে বের করুন কী করবেন । সত্যি সত্যি সম্রাটের মৃত্যু হয়ে থাকলে আমি আছি যুবরাজ আকবরের পেছনে ।

আকবর একজন শিশু

বৈরাম খাঁ বললেন, শিশু বড় হবে । ততদিন আপনারা থাকবেন শিশুর অভিভাবক । আর আপনারা যদি মনে করেন বিশৃঙ্খল অবস্থায় না থেকে মীর্জা কামরানের সঙ্গে যোগ দেবেন সেই পথও খোলা । মীর্জা হিন্দাল নিহত- এই খবর আপনারা জানেন । তিনি বীরের মতো ভাইয়ের জন্যে যুদ্ধ করে মরেছেন । মীর্জা আসকারি আমাদের সঙ্গেই বন্দি অবস্থায় আছেন । মীর্জা কামরান শক্তি সংগ্রহের চেষ্টায় আছেন । আপনাদের মধ্যে কেউ যদি তাঁর হাত শক্তিশালী করতে চান, করতে পারেন ।

আরেক আমীর বললেন, কেউ যদি অন্য শিবিরে যেতে চায় তাকে বাধা দেওয়া হবে না ?

বৈরাম খাঁ বললেন, সম্রাট অসুস্থ । তিনি এই বিষয়ে কোনো ফরমান জারি করতে পারছেন না । আমি শুধু সেনাবাহিনীর প্রধান, আমার পদমর্যাদা আমীরদের নিচে ।

বৈঠকের শেষে তিনজন আমরি জানালেন, তারা হুমায়ূনের শিবিরে থাকবেন না, তবে মীর্জা কামরানের দলেও যোগ দেবেন না । তাঁদের রাজনীতির প্রতি বৈরাগ্য চলে এসেছে । তাঁরা মক্কায় হজ করতে যাবেন । সেখান থেকে ফেরার সম্ভাবনাও ক্ষীণ ।

বৈরাম খাঁ বললেন, এমন যদি হয়, আমাদের সম্রাট সুস্থ আছেন এবং ভালো আছেন তাহলে কি আপনারা হজে যাওয়ার বাসনা ত্যাগ করবেন ?

আমীররা মুখ চাওয়াচাওয়ি করছেন । বৈরাম খাঁ ঠিক কী বলতে চাচ্ছেন বোঝা যাচ্ছে না  ।যতই দিন যাচ্ছে বৈরাম খাঁ’র আচার-আচরণ ততই রহস্যময় হয়ে উঠছে ।

বৈরাম খাঁ বললেন,সম্রাট হুমায়ূন সম্পূর্ণ সুস্থ । স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে তিনি চিল্লায় ছিলেন । চিল্লার মেয়াদ আগামীকাল ফজর ওয়াক্তে শেষ হবে । তিনি তখন সবাইকে দর্শন দেবেন ।

আমীররা সবাই একসঙ্গে বললেন, মারহাবা ।

বাদশাহ নামদার পর্ব –২৯

বৈরাম খাঁ বললেন, আপনাদের মধ্যে যারা মক্কায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তারা সম্রাটের দর্শন পাবেন না । তাঁদেরকে কিছুক্ষণের মধ্যে মক্কার দিকে যাত্রা শুরু করতে হবে ।

প্রধান আমীর ফৈয়জ খাঁ বললেন, এই সিদ্ধান্ত আপনি নিতে পারেন না ।

বৈরাম খাঁ বললেন, এই সিদ্ধান্ত আমার না । সম্রাট হুমায়ূনের তিনি অবিশ্বস্ত আমীদের আলাদা করার দায়িত্ব আমাকে দিয়েছেন । এই দায়িত্ব আমি ভালোমতো সম্পন্ন করেছি । সম্রাটের মিথ্যা মৃত্যুসংবাদ রটানো আমার একটি কৌশল মাত্র ।

ফজরের নামাজ শেষ হয়েছে । প্রধান আমীরকে নিয়ে বৈরাম খাঁ নদীর কাছে গেছেন । পাথরের উপর বসে হুমায়ূন বই পড়ছেন । আমীরের কুর্নিশের জবাবে তিনি মাথা ঝাঁকালেন ।

ফৈয়জ খাঁ বললেন, ইনি আমাদের সম্রাট না । আপনি তাকে ঠিকমতো শিখিয়ে দেন নাই কুর্নিশের জবাবে কী করতে হয় ।

বৈরাম খাঁ বললেন, এই কাজটা আমি আপনার জন্যে রেখে দিয়েছি । আপনি শেখাবেন ।

সম্রাট কি তাহরে ইন্তেকাল করেছেন ?

না । তবে তাঁর অবস্থা সঙ্গিন । যে-কোনো মুহূর্তে আমরা তাঁর মৃত্যুসংবাদ পাব  ।

হায় আল্লাহ্। কী দুঃসংবাদ!

বৈরাম খাঁ বললেন, প্রতিঠি দুঃসংবাদের সঙ্গে একটি সুসংবাদ থাকে । সুসংবাদ শুনুন ।পাঞ্জাবের রাজা সুলতান আদম গক্করের হাতে মীর্জা কামরান বন্দি হয়েছেন । সম্রাট হুমায়ূনের প্রতি শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে তিনি বন্দি কামরানকে হস্তান্তর করতে চান।

শুকুর আলহামদুল্লিহ । এখন আপনার পরিকল্পনা কী ?

বাদশাহ নামদার পর্ব –২৯

বৈরাম খাঁ বললেন, সম্রাট হুমায়ূন জীবিত থাকুন বা মৃত থাকুন আমি দিল্লী দখল করব । এই সুযোগ দ্বিতীয়বার আসবে না । সুলতান শাহ্’র তিনপুত্র নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ শুরু করেছে । এরা কেউ আমার বাহিনীর সামনে দাঁড়াতে পারবে না ।

ফৈয়জ খাঁ বললেন, সিকান্দর শাহ্’র কিন্তু বিশাল বাহিনী ।

বৈরাম খাঁ বললেন, আমি পাঞ্জাব দিয়ে ঢুকব । সিকান্দর শাহ্’র কল্পনাতেও নাই কেউ পাঞ্জাব দিয়ে ঢুকে তাকে আক্রমণ করতে পারে ।

যুদ্ধযাত্রায় নকল হুমায়ূন থাকবেন ?

অবশ্যই । সে থাকবে হাতির পিঠে । আপনি অন্য আমীরদের নিয়ে তাকে ঘিরে থাকবেন । যাতে নকল হুমায়ূনকে স্পষ্ট দেখা না যায় ।

আপনার সাহসের তারিখ করছি ।

বৈরাম খাঁ বললেন, বুদ্ধির তারিফ করছেন না ?

অবশ্যই  ।

বৈরাম খাঁ বললেন, আমার প্রিয় সম্রাট পবিত্র কোরানের একটি আয়াত প্রায়ই পাঠ করতেন । সেই আয়াতে আল্লাহপাক বলছেন, ‘‘আমি তোমাদের ভাগ্য তোমাদের গলায় হারের মতো ঝুলাইয়া দিয়াছি । ইহা আমার পক্ষে সম্ভব ।’’ দেখা যাক সম্রাট হুমায়ূনের ভাগ্যে কী লেখা ।

বৈরাম  খাঁ শেষ মুহূর্তে হাতির পিঠে করে নকল হুমায়ূনের যাত্রা বাতিল করলেন । তিনি ঘোড়সওয়ার বাহিনী নিয়ে অতি দ্রুত অগ্রসর হবেন । হাতি যথেষ্ট দ্রুতগামী হলেও ঘোড়ার অনেক পিছনে পড়ে থাকবে ।

 

Read more

হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা বাদশাহ নামদার পর্ব –শেষ

Related Posts

Leave A Comment