হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৬

মীরা তার কালরাতের জন্যে যত প্রস্তুতিই নিক, কোনো এক ফাঁকফোকর দিয়ে কালনাগিনী ঢুকে পড়বে। নিয়তি এড়ানাে যাবে না। নিয়তি মেনে নিতে পারলে খুব ভালো হত। সব কয়লায়িত নিয়তির হাতে ছেড়ে নিশ্চিন্ত মনে ঘুরে বেড়ানো যেত | অশাকিল হচ্ছে নিয়তির হাতে মার নিজেকে হাওতে পারছে না। নিয়তি বেহুলার জন্যে সত্যি, তার জন্যে সত্যি না। গাড়ি প্রচণ্ড… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৫

 পানির অনেক নিচে এরা মাটির মাছ উপর শুয়ে থাকে। এদের একেকটার বয়স দুশ তিনশ বছর । এদের হা প্রকাণ্ড । শরীর লোহার মত শক্তন । এরা প্রচণ্ড রাগী। বেশিরভাগ সময় এরা ‘ঘুমিয়ে থাকে। যে তাদের ঘুম ভাঙায় তাকে তারা কিছুতেই মা করে না।   সুন্দি-ফিকির এ ৱে এরা তাকে পানিতে নিয়ে যায়। তার পর খুবলে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৪

– “আপনার কথাবার্তা শুনে আমি খুবই অবাক হচ্ছি—আসলে আমি কিছুই জানি না।  “কিছু না জানলে জানবে। জানার জন্যেই আসতে বলছি। এখন আমি তোমার সঙ্গে লাভক্ষতির একটা আলাপ করব । এই আলাপটা মন দিয়ে শোন। লাইনে ডিস্টার্ব হচ্ছে না তাে? পরিষ্কার শুনতে পাচ্ছ?   “আমার দু’টাই মেয়ে। আমাদের যা বিষয়সম্পত্তি আছে সবই এদের। বাংলাদেশের হিসেবে মীরার… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৪

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৩

“ক’ প্যাকেট কেছু?  ‘চার প্যাকেট। চার প্যাকেট কিনলে পাইকারি রেট দেয়।’ ভালাে করছ।’  চাচীজীকে তার খুবই ভয় লাগছে। চাচীজীর উপর জ্বিনের আছর হয়নি তাে। হবিব নামে যে জিনটা এ বাড়িতে থাকে সে বড়ই দুষ্ট।   মনােয়ারা বললেন, মোতালেবকে চা খাইয়েছ? দেলােয়ার জবাব দেবার আগেই মােতালেব বলল, জ্বি আম্মা ।  “মােতালেব শােন । আমার শরীরটা খুব… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২২

 লম্বা হেলেটা!”  ‘ই। সাবেরের খুব শখ মীরার গ্রামের বাড়ি দেখা। ওর শখ দেখে আমি কথায় কথায় বলে ফেলেছি আমরা গ্রামের বাড়িতে গেলে তােমাকে খবর দেব, চলে এসাে।’ | আজহার সাহেব বললেন, ক্লাসফ্রেন্ডদের সঙ্গে মেলামেশা একটা পর্যায় পর্যন্তই ভালাে। এর বেশি ভালো না। মীরার কি ইচ্ছা ছেলেটা আসুক?   ‘ওর ইচ্ছাও নেই অনিচ্ছাও নেই। আমি ভাবছিলাম… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২২

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২১

যে মেয়েকে নিয়ে তাঁর এত অহংকার সেই অহংকার নষ্ট তিনি করতে পারেন না। ব্যাপারটা তাকেই সামাল দিতে হবে। কীভাবে সামাল  মনােয়ারা ক্ষীণস্বরে বললেন, হু।   “তােমরা মা মেয়ে সারারাত হেসে কী গল্প কর? একবার গােপনে তোমাদের কথাবার্তা শুনতে হবে। ওয়াটার গেট টাইপ ব্যবস্থা। হা হা হা।  ‘চায়ে চিনি টিনি লাগাবে কি-না দেখ।’  আজহার সাহেব আনন্দিত… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২১

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২০

তারপরও বলা যায়। উদাহরণ দিয়ে বুঝানাে যায় । আচ্ছা তােমার জন্যে। ব্যাপারটা সহজ করে দিচ্ছি। তুমি একদিন লােকমুখে জানতে পারলে যে আমি ভয়ংকর একটা অন্যায় করেছি তখন কী করবে?  ‘বিশ্বাল করব না। আমি তো আমার মেয়েকে চিনি। মানুষের কথায় আমি বিশ্বান করব কেন?  ‘পাখিদের মধ্যে কোন পাখির ডাক তাের সবচে ভালাে লাগে?  কোনাে পাখির ডাকই… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-২০

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-১৯

জানে। অকারী শব্দটা এত খারাপ জানলে সে এই শব্দ কখনােই বলত না। ক্লাসের কত সুন্দরী মেয়েকে সে অপ্সরী বলেছে। ভাগ্যিস ওরাও শব্দটার আসল মানে জানে না। অপ্সরী বলতে ওরা খুশিই হয়েছে।   মারা বলল, তুই কি লজ্জা পেয়ে গেলি নাকি  শেফা না-সূচক মাথা নাড়ল। যদিও সে খুবই লজ্জা পেয়েছে। | ‘মাছ মারা কখন শুরু হবে? … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-১৯

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-১৮

দেলােয়ার পুকুর থেকে উঠে এল । সে শীতে হি হি করে কাপছে। সারা শরীর কাদায়-শ্যাওলায় মাখামাখি । মালকোঁচা মেরে লুঙ্গিপরা। পা ভর্তি লােম । দেখতে বিশ্রী লাগছে।   দেলােয়ার লুঙ্গি ছেড়ে দিল। তার মুখ হাসি-হাসি। তাকে দেখে মনে হচ্ছে পানিতে নামা খুব আনন্দের ব্যাপার এবং শীতে থরথর করে কাঁপাও আনন্দময় ।  শেফা বলল, দেলােয়ার ভাই,… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-১৮

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-১৭

আপনি পাচটা মিনিট বসুন। আমি সেলুন থেকে দাড়িগোঁফ ফেলে দিয়ে আসছি। আপনাকে চা দিয়ে যাবে। চা খেতে যতমণ লাগে।’ [ আমি বসলাম। চা খেলাম। সে দাড়িগোঁফ কামিয়ে ভদ্র হয়ে ফিরে এল । আমরা মিনিট পাঁচেক কথা বললাম। সে-ই হড়বড় করে কথা বলল, আমি শুনলাম। যখন চলে আসছি তখন সে বলল, চল তোমাকে এগিয়ে দিয়ে আসি।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-১৭