নতুন প্রহসনে হাত দিয়েছি প্রহসন লেখা কোনাে খেলা কথা না। প্রহসন লিখতে গিয়ে মাইকেল মধুসূদনের মতাে লােকের মাথার চুল পেকে গিয়েছিল। শেষে কলপ দিয়ে রক্ষা। যা তাের মামিকে বলে আয় যেন আমার ঘরে না আসে। আচ্ছা বলছি। আর শােন, খাতির জমাবার চেষ্টা করবি না। খেয়াল রাখবি ও হচ্ছে শত্রুপক্ষ। ও অবশ্যি তােদের হাত করার চেষ্টা… Continue reading কিছু শৈশব-পর্ব-(১৭)-হুমায়ূন আহমেদ
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
কিছু শৈশব-পর্ব-(১৬)-হুমায়ূন আহমেদ
একটা সাহসী কুকুর পানিতে নেমে সাঁতরে মামার দিকে খানিকটা গিয়ে ভয় পেয়ে ফিরে এলাে। মামার জন্যে আমাদের দুঃখের সীমা রইল না । আহা বেচারা! বড়মামা আমাদের শােকসাগরে ভাসিয়ে পরদিন ভােরে ঠিক দু’টায় নানাজানের সঙ্গে হাঁটাপথে ময়মনসিংহ রওনা হয়ে গেলেন। বকুল আপা খুব কাঁদতে লাগল । বড় মামার জন্যে তার খুব মায়া। তার ধারণা, বড় মামা… Continue reading কিছু শৈশব-পর্ব-(১৬)-হুমায়ূন আহমেদ
কিছু শৈশব-পর্ব-(১৫)-হুমায়ূন আহমেদ
এই বলে রাজকুমারী ব্যাকুল হয়ে কাঁদতে থাকবেন। তখন দস্যুসর্দার ভীম নাগ খােলা তরবারি হাতে প্রবেশ করবে। আমার হচ্ছে দস্যু ভীম নাগের পার্ট। আমি রাজকুমারীর কাছে গিয়ে থমকে দাঁড়াব। কর্কশ গলায় বলব— ভীম নাগ : কে তুমি কাঁদিছ বসি বনপ্রান্তে একা বেশভূষা চমক্কার যাইতেছে দেখা। চক্ষে অশ্রু জল। কী তার কারণ অতি সত্বর করহ বর্ণন ॥ পুরােদমে… Continue reading কিছু শৈশব-পর্ব-(১৫)-হুমায়ূন আহমেদ
কিছু শৈশব-পর্ব-(১৪)-হুমায়ূন আহমেদ
গভীর রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে সে তখন সঙ্গীতের প্রবল আবেগে উচ্ছ্বসিত হয়ে গান ধরে। এই গান সে গায় নিজস্ব ভঙ্গিতে । সবাই অবশ্য বিরক্ত হয়। এটা কোনাে বড় কথা নয় । বড় কথা হলাে— গাধার সঙ্গীতপিপাসু মন ।। এখন তােরা বুঝলি তাে ? গাধা বললে রাগ করার কোনাে কারণ নেই, বরং আনন্দে উল্লসিত হবার… Continue reading কিছু শৈশব-পর্ব-(১৪)-হুমায়ূন আহমেদ
কিছু শৈশব-পর্ব-(১৩)-হুমায়ূন আহমেদ
তিনি প্রথম চিঠি লিখলেন লায়লা খালার ছােট বােনটিকে। ইনার নাম আমার মনে নেই। এই দুইবােন আমাদের পাশের বাড়িতে থাকতেন। তাদের বাবা কৃষি কর্মকর্তা ছিলেন। চিঠিটি সেই তরুণী রাগী রাগী মুখে নিল। চিঠি পড়ে বলল, কাজল, চিঠি আনা–আনির কাজ আর কখনাে করবে না। এইসব ভালাে না। আরেকবার যদি চিঠি আন থাপ্পড় খাবে। আমি ফিরে এলাম। বড়মামা… Continue reading কিছু শৈশব-পর্ব-(১৩)-হুমায়ূন আহমেদ
সোনার ঘোড়া – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
তিনটে খরগোশ তুরতুর করে মাটি ভাঙে চিনাবাদামের খেতে। মাটি উলটে বের করে বাদাম। সামনের দুই থাবায় ধরে কুটকুট করে খায়। তাদের কান নড়ে আনন্দে।ভুট্টা খেতের ভিতরে ঝুঁঝকো আঁধার। সেইখানে সরসর করে শব্দ হয়। দুটি শিশু কচি ভুট্টা ঘেঁড়ে, খোলস আর রোঁয়া সরিয়ে দাঁত বসায়। দানা ফেটে উছলে ওঠে ভুট্টার দুধ। স্বাদে তাদের মুখ ভরে যায়।… Continue reading সোনার ঘোড়া – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
কিছু শৈশব-পর্ব-(১২)-হুমায়ূন আহমেদ
আমার এবং শাওনের দুঃসময়ে দেশের এবং দেশের মানুষের যে সমবেদনা পেয়েছি তার কোনাে তুলনা নেই। আমি ধন্য। শাওন ধন্য। আমার ভাইবােনরা কেউ সামান্য একটা টেলিফোনও করল না— এই দুঃখবােধ আমৃত্যু আমার সঙ্গে থাকবে। পরকালে আমার কন্যা লীলাবতী যখন তার চাচা এবং ফুপুদের জিজ্ঞেস করবে, আমার বাবা যখন ঘরের সব দরজা–জানালা বন্ধ করে একা একা কাঁদছিল,… Continue reading কিছু শৈশব-পর্ব-(১২)-হুমায়ূন আহমেদ
কিছু শৈশব-পর্ব-(১১)-হুমায়ূন আহমেদ
পুলিশের চাকরির কারণে বাবা রেশন পেতেন। ভাত–ডালের ব্যবস্থা হতাে। বাকি খরচ কোথেকে আসবে! পুলিশের রেশনে কাপড় দেয় না। মা’কে তাকিয়ে থাকতে হতাে তার বাবার দিকে । উনি প্রায়ই কন্যার শাড়ি কিনে পাঠাতেন। স্বামী–স্ত্রীর নিখাদ ভালােবাসায় সংসার অতি সুখের হয় এই ধারণা ভুল। সংসার সুখের হতে হলে কিছু অর্থের অবশ্যই প্রয়ােজন হয়। আমার মায়ের নিশ্চয়ই ইচ্ছা… Continue reading কিছু শৈশব-পর্ব-(১১)-হুমায়ূন আহমেদ
কিছু শৈশব-পর্ব-(১০)-হুমায়ূন আহমেদ
এখন দুই ছােট গােল্লার ভেতর দুটা ফোটা দাও। তারপর দেখ কী হয়েছে। আমি অবাক হয়ে দেখলাম একটা বালকের মুখ আঁকা হয়েছে যে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে। কার্টুনিস্ট আমার হাত থেকে কাগজটা নিয়ে দ্রুত কয়েকটা টান দিলেন। বালকের মুখ হয়ে গেল বিড়ালের মুখ। বিড়ালটা লেজ উঁচু করে বসে আছে। আমার বিস্ময়ের সীমা রইল না।… Continue reading কিছু শৈশব-পর্ব-(১০)-হুমায়ূন আহমেদ
কিছু শৈশব-পর্ব-(৯)-হুমায়ূন আহমেদ
তার জন্যে সাগু কিনে আনতে হবে। কিন্তু ছেলের বাবা কবিতার খাতা নিয়ে বসেছেন। গভীর ভাবাবেগে তাঁর চোখে জল। লিখছেন ‘একদা জ্যোৎস্নায় নামের দীর্ঘ কোনাে রচনা। কেন কিছু কিছু মানুষ এমন নিশি–পাওয়া হয় ? দুঃখ কষ্ট, হতাশা–বঞ্চনা কিছুই তাদের স্পর্শ করে না। স্বর্গীয় কোনাে একটি হিংস্র পশু তাদের তাড়া করে ফিরে । কেন করে ? আমার… Continue reading কিছু শৈশব-পর্ব-(৯)-হুমায়ূন আহমেদ